× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শিবালয় (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২৬, ০৯:৪৫ এএম

মাটিখেকোদের থাবায় হারিয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি

শিবালয় (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২৬, ০৯:৪৫ এএম

ভেকু দিয়ে ফসলি জমির মাটি কাটা হচ্ছে। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ভেকু দিয়ে ফসলি জমির মাটি কাটা হচ্ছে। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় অবাধে চলছে তিন ফসলি কৃষিজমির উর্বর মাটি বা টপসয়েল কাটার মহোৎসব। উপজেলার উলাইল ইউনিয়নের বিরাজপুর এলাকায় প্রতিদিনই দিন রাত এক্সেভেটর (ভেকু) দিয়ে আবাদি জমির মাটি কেটে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, এই অবৈধ কর্মকাণ্ডের ফলে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি গভীর গর্ত ও ডোবা-নালায় পরিণত হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন কৃষিজমির উর্বরতা নষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ ও গ্রামীণ অবকাঠামো চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, একটি প্রভাবশালী চক্র টানা পাঁচ দিন ধরে দিন-রাত এক্সেভেটর চালিয়ে বিভিন্ন জায়গায় মাটি কেটে চড়া দামে বিক্রি করে যাচ্ছে। ফসলি জমির মাটি কাটার ফলে পাশের জমির মালিকরাও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, আমাদের জমি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তবুও বাধা দেওয়ার সাহস পাচ্ছি না। বাধা দিলে এলাকায় বসবাস করাই কঠিন হয়ে যাবে। তাই নীরবে শুধু দেখে যেতে হচ্ছে। এটি দ্রুত বন্ধ করা না হলে ভবিষ্যতে ফসলি জমির বড় সংকট তৈরি হবে।

স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, পাশের জমি থেকে গভীরভাবে মাটি কাটার কারণে তাদের আবাদি জমিও ধসে পড়বে এবং চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে উঠবে।

বিষয়টি নিয়ে সাইদুরের  সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘কে বা কারা আমার নাম বলেছে সেটা আমার জানা নাই, তবে মাটি কাটার সঙ্গে আমি জড়িত নই। বাবু ওরফে চান- তারাই এই মাটি কাটছে বলে আমি শুনেছি, আপনি চাইলে তাদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন।’ 

বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সত্যতা স্বীকার করে তিনি বলেন, এখানে পুরাতন একটি পুকুর ছিল। সেই পুকুর খনন করছি। আর কিছু মাটি বাইরে বিক্রি হচ্ছে, কারো কোনো ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি। 

এ বিষয়ে শিবালয় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জান্নাতুল নাঈমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিন ফসলি জমি কেটে মাটি বিক্রি করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে অবৈধভাবে তিন ফসলি জমির মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তারা দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে কৃষিজমি ও পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!