× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম

তেলের অভাবে যমুনার চরে নৌযান সংকট, দুর্ভোগে মানুষ ও জেলেরা

গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ০৩:৫৩ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

টাঙ্গাইলের যমুনা চরাঞ্চলে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটের কারণে নৌ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন চরাঞ্চলের সাধারণ মানুষ ও মৎস্যজীবীরা।

রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী নৌকা ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ভদ্র শিমুল চর থেকে মাত্র ১০ জন যাত্রী নিয়ে একটি নৌকা ঘাটে ভিড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর, ভূঞাপুর, কালিহাতী ও সদর উপজেলার যমুনা নদীসংলগ্ন প্রায় ১০টি ইউনিয়নে প্রায় দুই লক্ষাধিক মানুষের বসবাস। এসব এলাকার মানুষের শহরে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম নৌকা। কিন্তু জ্বালানি তেল চাহিদামতো না পাওয়ায় নৌকার মাঝিরা বাধ্য হয়ে সীমিত যাত্রী নিয়ে চলাচল করছেন। ফলে একদিকে যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া, অন্যদিকে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন মাঝি-মাল্লারাও।

গাবসারা ইউনিয়নের চর বিহারী গ্রামের কৃষক বদি মণ্ডল বলেন, জমিতে সেচের জন্য ডিজেল সংগ্রহ করতে গিয়ে যাত্রী সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে এক হাজার টাকায় পুরো নৌকা ভাড়া করতে হয়েছে, যেখানে আগে প্রতি যাত্রীর ভাড়া ছিল মাত্র ৩০ টাকা।

নৌকার মাঝি হাসান আলী বলেন, ‘বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে গেছে, ফলে বাজারে আগের মতো তেল পাওয়া যাচ্ছে না। পাম্পে গেলে তেল মেলে না, আর বাইরে থেকে কিনতে গেলে অতিরিক্ত দাম দিতে হয়। এতে নৌকা চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।’

নলিন থেকে তালতলা চরে চলাচলকারী আরেক মাঝি বাবু বলেন, এই রুটে যাতায়াতে প্রায় এক হাজার টাকা খরচ হয়, কিন্তু যাত্রী পাওয়া যাচ্ছে খুব কম। এতে খরচ উঠানোই দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

যাত্রী সজিব ও মেহেদী বলেন, আগে যেখানে নৌকার ভাড়া ছিল ৩০ টাকা, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০০ টাকায়। এতে শুধু যাত্রী পরিবহনই নয়, চরে উৎপাদিত কৃষিপণ্য ও অন্যান্য মালামাল পরিবহনেও খরচ বেড়েছে।

এদিকে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও সংকটে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন যমুনা নদীর মৎস্যজীবীরা। শুশুয়া গ্রামের জেলে আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘আমরা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করি। কিন্তু তেলের দাম বাড়ায় এবং সহজে তেল না পাওয়ায় অনেকেই পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন। আমিও এখন শহরে পুরোনো কাপড় বিক্রি করছি।’

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে চরাঞ্চলের জনজীবন আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

Link copied!