× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নীলফামারী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৭:০০ পিএম

বক্তব্য দিতে না পেরে ইউএনওর সঙ্গে তর্কে জড়ালেন বিএনপির নেতাকর্মীরা 

নীলফামারী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ০৭:০০ পিএম

ইউএনওর সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের তর্কতর্কি। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ইউএনওর সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের তর্কতর্কি। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নীলফামারীর জলঢাকায় শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার পর বক্তব্য দিতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিনের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের তর্কের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) প্রথম প্রহরে জলঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনাটি নিয়ে ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

ভিডিওতে দেখা যায়, শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে ইউএনওসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের মানুষ নীরবতা পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপির কয়েকজন নেতা বক্তব্য দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে ইউএনও তাৎক্ষণিকভাবে জানান, সেখানে বক্তব্য দেওয়ার কোনো কর্মসূচি নেই।

পরে স্বেচ্ছাসেবক দলের পৌর কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবু তোরাব আহমেদ ইমন বলেন, সাবেক উপজেলা বিএনপি সভাপতি উপস্থিত থাকলেও তাকে বক্তব্য দিতে দেওয়া হয়নি। তিনি এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

ভিডিওতে ইউএনও জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিনকে বলতে শোনা যায়, শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, নীরবতা পালন ও দোয়া—এ পর্যন্তই কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল। কোনো আলোচনা বা বক্তব্যের অংশ এতে রাখা হয়নি। আলোচনা সভা পরদিন অনুষ্ঠিত হবে, সেখানে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ভিডিওতে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেটকে দেখা গেলেও তিনি নীরব ছিলেন। জলঢাকা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক লেলিন বলেন, বিষয়টি বড় কিছু নয়। ইউএনও সামান্য সময় কথা বলেছেন। কেউ কেউ মনে করেছিলেন বক্তব্য দিতে দেওয়া হচ্ছে না—সেখান থেকেই ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে ইউএনও জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন বলেন, ঘটনাটি তেমন গুরুতর নয়। কেউ কেউ বক্তব্যের সুযোগ না পাওয়ায় মনক্ষুণ্ন হয়েছিলেন। পরে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে জানানো হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বক্তব্যের জন্য পৃথক আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Link copied!