ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

আবাসিক হোটেল থেকে উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় মিলেছে

পাবনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মে ৮, ২০২৬, ০৪:০৩ পিএম
ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পাবনা শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতনামা নারী মরদেহের পরিচয় মিলেছে। ওই নারীর নাম মিনা খাতুন (৩০)। তিনি দুই সন্তানের জননী এবং পাবনার ফরিদপুর উপজেলার ডেমড়ার কালিয়ানি গ্রামের সামছুল আলমের মেয়ে।

দ্বিতীয় স্বামী পলাশের হাতে নির্মমভাবে তিনি খুন হয়েছেন বলে পুলিশ ধারণা করছে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

গত মঙ্গলবার (৫ মে) পাবনা মধ্য শহরের লাকি বোর্ডিং নামের একটি আবাসিক হোটেল থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।

জানা গেছে, কয়েক বছর আগে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের আমিনুর রহমান লাল্টুর সঙ্গে বিয়ে হয় মিনার।

লাল্টু ঢাকায় চাকরি করার সুযোগে প্রতিবেশী শহিদুল ইসলামের ছেলে পলাশ শেখের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে মিনার। এক পর্যায়ে গত বছরের জুলাই মাসে মিনা খাতুন তার দুই সন্তান রেখে পলাশের সঙ্গে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন।

তবে পলাশের সঙ্গে বেশি দিন সংসার টেকেনি। আট মাস সংসারের পর তিনি বাবার বাড়ি ফিরে যান। এরপর থেকে বাবার বাড়িতেই থাকতেন তিনি।

গত ৪ মে সকাল ১০টার দিকে বেড়া উপজেলায় যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন মিনা। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে পাবনা শহরের লাকি বোর্ডিং নামের আবাসিক হোটেলের একটি কক্ষে তার মরদেহ পাওয়া যায়। সে সময় তাকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে শনাক্ত করা হয়।

মঙ্গলবার রাতে সিআইডির একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের বিভিন্ন আলামত সংগ্রহের পর তার পরিচয় শনাক্ত করে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পাবনা সদর থানার এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় নিহতের পিতা সামছুল আলম বাদী হয়ে মিনার দ্বিতীয় স্বামী পলাশ শেখকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে।