হিমালয়ের কাছাকাছি দেশের উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে কনকনে ঠান্ডা বাতাসের সঙ্গে শীতের তীব্রতা অব্যাহত রয়েছে। এ জেলায় তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও শীতের প্রকোপ কমেনি। গত কয়েক দিন ধরে তাপমাত্রা ৮ থেকে ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে ওঠানামা করছে। ফলে জেলাজুড়ে শীতের অনুভূতি তীব্র হয়ে উঠেছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৬ শতাংশ। এর আগে, রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে বয়ে আসা হিমশীতল বাতাস ও হালকা কুয়াশার কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন পঞ্চগড়ের খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ। উত্তরের হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার প্রভাবে বিভিন্ন সড়কে ধীরগতিতে যান চলাচল করতে দেখা গেছে। কিছু কিছু যানবাহন হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে। ঘন কুয়াশার চাদরে প্রকৃতি ঢাকা পড়লেও জীবিকার তাগিদে ভোর সকালেই কাজে বের হচ্ছেন শ্রমজীবী মানুষ। কুয়াশার কারণে সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।
এদিকে, সকাল বেলা সূর্যের দেখা মিললেও কুয়াশার দাপটে তেমন উত্তাপ ছড়াতে পারছে না। কনকনে শীতে ছিন্নমূল, খেটে খাওয়া, দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
অন্যদিকে, তীব্র শীত আর কুয়াশার কারণে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। প্রতিনিয়ত সর্দি, কাশি, নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।
এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, ‘পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় হিমেল বাতাসের কারণে কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৬ শতাংশ। তবে সামনে তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।’



