× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১০:১১ পিএম

বাউফলে জামায়াত-বিএনপির সংঘর্ষে আহত বেড়ে ৪০, থানার সামনে অবস্থান

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১০:১১ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর প্রায় ১২টার দিকে উপজেলার দুর্গম চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের বৌবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম)-এ পাঠানো হয়েছে। 

আহতদের মধ্যে রয়েছেন জামাল মৃধা (২২), আমিনুল ইসলাম (৩৭), জুয়েল (৩৩), নয়ন (১৭), লিমা জাহান (২৫), শাহজালাল (২০), সুজন (২৬), শহিদুল বেপারী (২৭), হাফেজ আনিসুর রহমান (৫৫), আমিনুল মাতব্বর (৩০), সোহাগ (৩০), সাইফুল (৪০), জিসান (২৫), সজিব (১৭), রোজিনা বেগম (৩০), দেলোয়ার গাজী (৫৮)সহ আরও অনেকে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামায়াতের কয়েকজন কর্মী নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে গেলে বিএনপির সমর্থকরা তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তোলেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়, যা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষের সময় উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা ব্যবহার করে বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার পরপরই জামায়াতের নেতাকর্মীরা বাউফল থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। তারা সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রত্যাহার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। এ সময় থানার সামনে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।

জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দাবি করেন, বিএনপির সমর্থকদের হামলায় চন্দ্রদ্বীপ এলাকায় তাদের দলের অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষ আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, ওসি প্রত্যাহার ও দোষীদের গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

অন্যদিকে বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ জামায়াতের এই দাবিকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষে জামায়াতের পক্ষের হামলায় বিএনপির তিনজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। বিষয়টি মৌখিকভাবে প্রশাসনকে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান জানান, তিনি বর্তমানে ব্যস্ত রয়েছেন এবং পরে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেন। ঘটনার পর থেকে থানা ও আশপাশের এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাউফল থানার সামনে জামায়াতের অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত ছিল।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!