ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

​পটুয়াখালী-১ আসনে আলতাফ হোসেনের ঐতিহাসিক বিজয়

​মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০২:০০ পিএম
আলতাফ হোসেন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ (সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকী) আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষের আলতাফ হোসেন চৌধুরী। 

সাবেক এই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীকে ৯৩ হাজার ২১৫ ভোটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

​নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, আলতাফ হোসেন চৌধুরী মোট ১ লাখ ৫০ হাজার ৯০৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী ফিরোজ আলম পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৬৯০ ভোট। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর সমর্থিত এবি পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ ওহাব মিনার ঈগল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ১৫৮ ভোট।

নির্বাচনি এলাকার মোট ৫ লাখ ১ হাজার ৯৮ ভোটারের মধ্যে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯২৭ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, যা মোট ভোটের প্রায় ৫১.৫৭ শতাংশ।

​এই ঐতিহাসিক বিজয়ের পর এক আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, এই বিজয় কেবল আমার নয়, এটি পটুয়াখালীর সর্বস্তরের মানুষের অধিকার আদায়ের বিজয়। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর জনগণ তাদের পছন্দের প্রতিনিধি বেছে নিতে পেরেছে। তিনি এই সাফল্যের জন্য নির্বাচনি এলাকার সকল ভোটার, নেতাকর্মী ও সমর্থকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং আগামী দিনে এলাকার উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

​এদিকে আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বিজয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে পটুয়াখালী সদরসহ তিনটি উপজেলাতেই সর্বশ্রেণির মানুষের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে আনন্দ উল্লাস করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমর্থকরা এই জয়কে জননেতা, গণমানুষের নেতার বিজয় আবার ধানের শীষের ঐতিহাসিক বিজয় বিভিন্নভাবে অবিহিত করে অভিনন্দনের জোয়ারে ভাসছেন। 

পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি তার ভেরিফাইড ফেসবুক আইডিতে লিখেছেন, পটুয়াখালী-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় পটুয়াখালী জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আপনার এই বিজয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে নতুন অনুপ্রেরণা জোগাবে। জনগণের আস্থা ও ভালোবাসার মর্যাদা রক্ষা করে এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে আপনি বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন—এটাই আমাদের বিশ্বাস।