× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২৬, ১২:০৩ পিএম

ভিন্ন পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে পুঠিয়ায় এক ব্যক্তি আটক

পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৪, ২০২৬, ১২:০৩ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

কখনো নিজেকে এনএসআই, কখনো সিআইডি, কখনো সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা। আবার কখনো জনপ্রশাসন বা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তা। কথার ফাঁকে দাবি— টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে রয়েছে তার তিনটি গার্মেন্টস কারখানা, বিদেশে জনশক্তি রপ্তানিরও বড় ব্যবসা করেন তিনি। এমন একাধিক পরিচয়ের আড়ালে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করে প্রতারণার অভিযোগে অবশেষে পুঠিয়া থানা পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন এক ব্যক্তি।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৩ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে রাজশাহীর পুঠিয়া পৌর এলাকার কাঁঠালবাড়িয়া এলাকা থেকে এস এম ওমর ফারুক (পিতা: আবু বক্কর সিদ্দিক) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তার বাড়ি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার হরিণহাটি গ্রামে।

প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের কাছে অভিযোগ এসেছে, আটক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও এলাকায় ভিন্ন ভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করতেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি কখনো নিজেকে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), কখনো অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), আবার কখনো সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিতেন। পাশাপাশি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেও নিজেকে পরিচয় দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সরকারি পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি নিজেকে বড় শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবেও উপস্থাপন করতেন। টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে তার মালিকানাধীন তিনটি গার্মেন্টস কারখানা রয়েছে বলে দাবি করতেন। আবার কখনো বিদেশে জনশক্তি পাঠানোর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির আস্থা অর্জনের চেষ্টা করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

পুলিশ বলছে, এসব পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার অপচেষ্টা চালানোর অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তার বিরুদ্ধে আরও কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রতারণার শিকার হয়েছেন কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

পুঠিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য বা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন পরিচয় দিলে তা যথাযথভাবে যাচাই না করে বিশ্বাস করা উচিত নয়। সন্দেহজনক কোনো কার্যকলাপ নজরে এলে দ্রুত নিকটস্থ থানায় জানানোরও পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!