× UCB Sticker Card
সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০৯:২৯ পিএম

তানোরে খাদ্য গুদামে তিন সিন্ডিকেটে ধান সংগ্রহের অভিযোগ

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২৬, ০৯:২৯ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

রাজশাহীর তানোর উপজেলার কামারগাঁ খাদ্যগুদামে সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ধান কেনা এবং বরাদ্দের একটি অংশ অন্য গুদামে স্থানান্তরের নামে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রকৃত প্রান্তিক কৃষকরা সরকারি দামে ধান বিক্রির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয় কৃষকরা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কলমা ও কামারগাঁ ইউনিয়নের কৃষকদের কাছ থেকে মোট ৫৫৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি নির্ধারিত প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে নিবন্ধিত কৃষকরা সর্বোচ্চ ৩ মেট্রিক টন পর্যন্ত ধান বিক্রি করতে পারতেন।

অভিযোগ রয়েছে, গুদাম কর্তৃপক্ষ রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তির সহযোগিতায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রায় ৩৫৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করে। পরে অবশিষ্ট প্রায় ২০০ মেট্রিক টন বরাদ্দ অন্যত্র স্থানান্তরের নামে একটি ব্যবসায়ী চক্রের কাছে দেওয়া হয় এবং তা তানোর সদর খাদ্যগুদামে সংগ্রহ করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এতে প্রকৃত কৃষকদের পরিবর্তে ব্যবসায়ী ও মধ্যস্বত্বভোগীরা লাভবান হয়েছেন। কামারগাঁ বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ব্যক্তির মাধ্যমে বড় পরিমাণে ধান সরবরাহ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

কৃষকদের ভাষ্য, বর্তমানে খোলা বাজারে ধানের দাম সরকারি ক্রয়মূল্যের তুলনায় কম থাকায় সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করলে তারা ভালো মূল্য পেতেন। কিন্তু সিন্ডিকেটের কারণে অনেকেই সেই সুযোগ পাননি। তাদের দাবি, প্রতি মণে প্রায় ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত সম্ভাব্য লাভ থেকে তারা বঞ্চিত হয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রাজনৈতিক নেতা অভিযোগ করেন, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি কৃষকদের জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে নিজেদের পছন্দের তালিকা প্রস্তুত করেছেন। এর ফলে প্রকৃত কৃষকরা সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

শনিবার স্থানীয় সংসদ সদস্য কামারগাঁ সফরে গেলে কয়েকজন কৃষক খাদ্যগুদামের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বদলির দাবি জানান বলেও একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

এ বিষয়ে কামারগাঁ খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

তবে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা পারভীন বলেন, ধান সংগ্রহ নিয়ে তিনি, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসি ফুড) এবং আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক (আরসি ফুড) তদন্ত করেছেন। তদন্তে কোনো অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও বলেন, বরাদ্দের ধান বিক্রি করা হয়নি। গুদামে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় নির্ধারিত নিয়ম অনুসারে কিছু ধান তানোর সদর খাদ্যগুদামে স্থানান্তর করা হয়েছে। এছাড়া কৃষকরাই ধান সরবরাহ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন। তবে গুদাম কর্মকর্তা শিগগিরই বদলি হতে পারেন বলেও তিনি জানান।

Link copied!