রাঙামাটি পার্বত্য জেলা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের এক অনন্য দৃষ্টান্ত বলে মন্তব্য করে রাঙামাটি পার্বত্য জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তারেক সেকান্দার বলেন, ‘এ জেলায় সব সম্প্রদায়ের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের ভিত্তিতে মিলেমিশে বসবাস করে আসছে।’
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় শহরের কাঠালতলী গোডাউন সংলগ্ন মাঠ প্রাঙ্গণে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজমের উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ‘পার্বত্য জেলার শীতার্ত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম। তার উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতায় শীতার্তদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের মতো মানবিক উদ্যোগগুলো এই সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও পর্যটন ও নার্সিং ইনস্টিটিউটের আহ্বায়ক মো. হাবীব আজম। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘শীত শুধু একটি ঋতু নয়, এটি অসহায় মানুষের জন্য কঠিন বাস্তবতা। জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত সেবা।’
তিনি আরও বলেন, ‘জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একে অপরের পাশে দাঁড়ালে সমাজ আরও মানবিক হবে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য বাবু দয়াল দাশ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাঠালতলী জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. বাবুল আলী, সাধারণ সম্পাদক মো. কামাল হোসেন, কাঠালতলী মৈত্রী বিহারের সভাপতি বাবু পূর্ণেন্দু বিকাশ চাকমা, বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. মাইনুদ্দিন, হিল সার্ভিসের সাধারণ সম্পাদক জাভেদ সিদ্দিক, বনরূপা ব্যবসায়ী সমিতির দপ্তর সম্পাদক মো. বেলাল এবং কাঠালতলী দুর্গা মাতৃ মন্দিরের দুর্গা উৎসব পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক বাবু পুলক শীল।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন হিলফুল ফুযুল যুব সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সভাপতি ওমর মোরশেদ।
অনুষ্ঠান শেষে শীতার্ত ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।



