× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রাঙামাটি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০১:৪৯ পিএম

সড়ক নির্মাণে সন্ত্রাসীদের বাধা, বিশেষ নিরাপত্তার দাবি

রাঙামাটি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০১:৪৯ পিএম

চলছে রাস্তার কাজ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

চলছে রাস্তার কাজ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রাঙামাটি জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি থাকা নানিয়ারচর-লংগদু সংযোগ সড়ক নির্মাণকাজে আদিবাসী সন্ত্রাসীরা বাধা সৃষ্টি করছে। তিন উপজেলার সংযোগ এই সড়কটি সম্পূর্ণ হলে জেলা সদরের সঙ্গে সীমান্তবর্তী উপজেলা বাঘাইছড়িতে সরাসরি যাতায়াত সম্ভব হবে। এতে সময় ও অর্থ বাঁচবে, কৃষি ও পর্যটন শিল্প বিকশিত হবে এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসেবায় সহায়ক হবে।

সূত্র জানায়, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও সড়কটি নিয়ে তেমন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে জেলা পরিষদ সদস্য ও লংগদু উপজেলার কৃতী সন্তান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র মিনহাজ মুরশীদ সড়কটি নির্মাণে উদ্যোগ নেন।

আট মাসের কাজের পর লংগদু থেকে নানিয়ারচর পর্যন্ত রাস্তার কাজ প্রায় শেষ হলেও ইউপিডিএফ নামের উপজাতি সন্ত্রাসীরা বাধা দেয় এবং সড়কের যন্ত্রপাতি ভাঙচুর ও লুটপাট করে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, সড়কটি জনস্বার্থে অত্যন্ত জরুরি। সংযোগ সড়ক হলে তিন উপজেলার মানুষ সহজে জেলা সদরে যাতায়াত করতে পারবে। কৃষিপণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং পর্যটনশিল্পের বিকাশ ঘটবে। তবে সড়ক নির্মাণে একটি মহলের পথ কেটে দিয়েছে, কারণ তাদের চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে যাবে।

সড়কটির এক-তৃতীয়াংশ পাহাড়ি এলাকা ইউপিডিএফের দখলে, যেখানে বাঙালি শ্রমিকদের কাজ করা সম্ভব নয়। বর্তমানে সড়ক মোটরসাইকেল চলাচলের উপযোগী হলেও সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কারণে কাজ বন্ধ ছিল।

নির্বাচনের পর আবার কাজ শুরু হলে দেখা যায়, এক্সক্যাভেটর যন্ত্রপাতি লুট ও ভাঙচুর করা হয়েছে, ইঞ্জিনে বালু ও পানি ঢুকিয়ে অকেজো করে রাখা হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জানায়, স্থানীয় প্রশাসন ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় মাটি কাটার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। তবে সম্প্রতি পাহাড়ি সন্ত্রাসী বা অদৃশ্য শক্তি দুটি গাড়ি অকেজো করেছে, যার ফলে শ্রমিক ও ঠিকাদারদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, দ্রুত সড়কটি সম্পন্ন না হলে জনস্বার্থে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। প্রতিষ্ঠান দাবি করেছে, নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে দ্রুত বাকি অংশের কাজ সমাপ্ত করা সম্ভব।

জেলা পরিষদ সদস্য মিনহাজ মুরশীদ বলেন, অনেক কষ্টের বিনিময়ে রাস্তার কাজ শুরু হয়েছে। সেনাবাহিনী ও স্থানীয়দের সহযোগিতা ছিল। নির্বাচনকালীন বিরতির পর কাজ পুনরায় শুরু হয়েছে। অল্প কাজ বাকি আছে, তা শেষ হলে মোটরসাইকেল ও সিএনজি চলাচল করতে পারবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!