রাঙামাটিতে জ্বালানি তেলের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন জ্বালানি নিতে যাওয়া বিক্ষুব্ধ মোটরসাইকেল চালকরা। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে শহরের রাজবাড়ী এলাকার মেসার্স এসএন পেট্রোলিয়াম ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় বিক্ষুব্ধ চালকরা রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কে ব্যারিকেড দিলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও যানবাহন চালকরা। অবরোধে প্রায় অর্ধ শতাধিক মোটরসাইকেল চালক যোগ দেন। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে এবং তেল দেওয়ার আশ্বাস ব্যারিকেট তুলে নেন বিক্ষুব্দ চালকরা।
জানা যায়, প্রশাসনের নির্দেশনায় সপ্তাহে সকাল ৮টা থেকে ১১টা পর্যন্ত তিনদিন অকটেন ও তিনদিন ডিজেল বিক্রি করে আসছে স্থানীয় পাম্পগুলো। এতে নিয়ম অনুযায়ী শনিবার সকালে ওই পাম্পে জ্বালানি তেল নিতে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল না পেয়ে পাম্পের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিক্ষুব্ধ মোটরসাইকেল চালকরা।
এতে সড়কের উভয় দিকে কয়েকশ’ যানবাহন আটকা পড়ে প্রায় আধাঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং তেল দেওয়ার আশ্বাস অবরোধ তুলে নেন বিক্ষুব্ধ চালকরা।
তাদের দাবি, পাম্পে তেল থাকলেও সময় বেঁধে দেওয়ার কারণে দীর্ঘক্ষণ লাইনে থাকার পরও তেল পাচ্ছেন না। প্রতিদিন কত পরিমাণ তেল দেওয়া হবে এবং কতজন পাবেন তা আগে জানিয়ে দিলে ভোগান্তি হতো না।
বাইক চালক রাহুল চাকমা বলেন, প্রতিদিন বাইকে করে পণ্য সরবরাহ দিতে হয়। কিন্তু যে পরিমাণ তেল দেওয়া হয় তাতে হয় না। সকাল ৭ টায় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ১১ টায় তেল দেওয়া বন্ধ করে দেওয়ায় পরে আর তেল পাইনি।
মেসার্স এসএন পেট্রোলিয়াম এজেন্সি ফিলিং স্টেশনের ম্যনেজার মো. ছিদ্দিক বলেন, এদিন ১ হাজার জনকে ৫০০ টাকার করে অকটেন দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনা মতো আমরা জ্বালানি দিয়ে যাচ্ছি।
এ বিষয়ে রাঙামাটি পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, শহরের রাজবাড়ী এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনের সমানে জ্বালানি তেলের জন্য সড়ক অবরোধ করেছিলেন বিক্ষুব্ধ কিছু লোক। এ সময় পাম্পে টহলরত আমাদের সদস্যরা তাদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। সাময়িক এ সমস্যা সমাধানে সবার অন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন পুলিশ সুপার।

-20260404183959.webp)
সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন