ঢাকা রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

শেরপুর সীমান্ত থেকে খালি চোখে দেখা মিলছে তুরা পাহাড়

শেরপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ০৯:০৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

বর্ষার পড়ন্ত বিকেলে শেরপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে খালি চোখেই দেখা মিলছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা পাহাড়ের। এ যেন এক স্বপ্নিল দৃশ্য। এর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে উঠেছেন জেলার উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দারা।

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তঘেঁষা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা শেরপুর। মেঘালয় রাজ্যের প্রায় ৪২ কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত রয়েছে গারো পাহাড়। যদিও গারো পাহাড়ের মূল অংশটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যে অবস্থিত, তবে এর একটি অংশ বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের শেরপুর জেলায়ও বিস্তৃত।

শেরপুর সীমান্ত থেকে মেঘালয় রাজ্যের সর্বোচ্চ তুরা শহরের দূরত্ব মাত্র ৫৫ কিলোমিটার। সীমান্ত সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে বর্ষার পড়ন্ত বিকেলে আকাশ পরিষ্কার থাকলে তুরা পাহাড় স্পষ্ট দেখা যায়। এমনকি সীমান্ত থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত শেরপুর জেলা শহরের ছয় থেকে সাততলা উঁচু ভবনের ছাদে উঠলেও তুরা পাহাড়ের দেখা মেলে।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় তিন হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত তুরা পাহাড়। সে কারণে সীমান্তবর্তী শেরপুরের বিভিন্ন এলাকা, বিশেষ করে খোলা মাঠ কিংবা উঁচু প্রান্তর থেকে বর্ষার বিকেলে পরিষ্কার আকাশে পাহাড়টি সুস্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়।

গত কয়েকদিন ধরে শেরপুর জেলার বিভিন্ন স্থান, বিশেষ করে সীমান্ত এলাকার ঝিনাইগাতী–বগাডুবি সড়ক, তিনানি–নালিতাবাড়ী সড়ক, মধুটিলা, গজনি, নাকুগাঁও ও পানিহাটা এলাকা থেকে স্পষ্টভাবে তুরা পাহাড় দেখা যাচ্ছে।

এ দৃশ্য দেখতে ভ্রমণপিপাসীরা ভিড় করছেন সীমান্ত এলাকায়। পাহাড়ের ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করছেন অনেকেই। অনেকের মতে, দৃশ্যটি অনেকটা পঞ্চগড় থেকে শীতকালে হিমালয় দেখা যাওয়ার মতোই মনোমুগ্ধকর।

শেরপুর সীমান্ত থেকে তুরা পাহাড়ের এই নয়নাভিরাম দৃশ্য উপভোগ করতে প্রতিদিনই ভ্রমণপ্রেমী ও বাইকাররা ছুটে যাচ্ছেন সীমান্ত এলাকায়। নিজ নিজ মোবাইল ফোন ও ক্যামেরায় ছবি ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করছেন তারা। ইতোমধ্যে বিষয়টি নেট দুনিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়ে উঠেছে।