ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

নবজাতক কন্যাকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ মায়ের বিরুদ্ধে

হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫, ০৫:২২ পিএম
ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে নবজাতক কন্যাসন্তানকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মায়ের বিরুদ্ধে। হত্যার পর নবজাতকের মরদেহ টয়লেটে লুকিয়ে রাখা হয়। পরে মাটিচাপা দেওয়ার সময় বিষয়টি প্রতিবেশীদের নজরে এলে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

ঘটনাটি শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের বাচড়া ভুতের দিয়ার গ্রামে ঘটেছে।

জানা যায়, ওই গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের কন্যা জান্নাতুল ফেরদৌসের সঙ্গে প্রায় এক বছর আগে একই ইউনিয়নের নন্দলালপুর গ্রামের নবী মণ্ডলের ছেলে করিম মণ্ডলের বিয়ে হয়। সংসারে বনিবনা না হওয়ায় ছয় মাস পর তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এরপর জান্নাতুল ফেরদৌস বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন।

ওদিকে করিম মণ্ডল দ্বিতীয় বিয়ে করেন।

বিবাহবিচ্ছেদের পর জান্নাতুল ফেরদৌস করিম মণ্ডলের সন্তান গর্ভে ধারণ করলেও বিষয়টি পরিবার গোপন রাখে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে জান্নাতুল ফেরদৌস একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। অভিযোগ রয়েছে, সন্তান জন্মের পর জান্নাতুল ফেরদৌস ও তার মা মিলে নবজাতকের গলা কেটে হত্যা করে মরদেহ টয়লেটে রেখে দেন।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোরে বাড়ির পেছনে গর্ত খুঁড়ে নবজাতকের মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার চেষ্টা করলে বিষয়টি প্রতিবেশীদের নজরে আসে। ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্ত জান্নাতুল ফেরদৌস ও তার স্বজনরা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান।

এ বিষয়ে করিম মণ্ডলের মা নাজমা বেগম, বাবা নবী মণ্ডল ও বোন-জামাই মো. রমজান আলী জানান, করিমের একমাত্র স্মৃতি ছিল জান্নাতুল ফেরদৌসের গর্ভের সন্তান। জন্মের পর সেই সন্তানকেও নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে।

শাহজাদপুর থানার এসআই মাহবুব হাসান বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’