× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম

দেড় বছরেও উদ্ধার হয়নি হাটিকুমরুল থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র ও গুলি

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

দেশব্যাপী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানায় হামলার সময় লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

লুট হওয়ার দীর্ঘ দিনেও অস্ত্রগুলো উদ্ধার না হওয়ায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সারাদেশে ন্যায় প্রতিষ্ঠার দাবিতে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানায় হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ সময় থানা থেকে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট হয়। দীর্ঘ দেড় বছরেরও অধিক সময় পার হলেও থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্রের কোন হদিস মেলেনি।

এ পরিস্থিতিতে জেলার আইনশৃঙ্খলা ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরাপত্তা নিয়ে এলাকার সচেতন মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

হাটিকুমরুল থানার ওসি ইসমাইল হোসেন জানান, ‘ঠিক কতগুলো অস্ত্র লুট হয়েছিল তা এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। তবে লুট হওয়া অস্ত্রের মধ্যে ৪টি চায়না রাইফেল, ২টি পিস্তল ও ২টি গ্যাসগানসহ মোট আটটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং দেড় শতাধিক গুলি এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সলঙ্গা থানায় একটি বিস্ফোরক মামলা করা হয়েছে, যার নম্বর ১২-৯/৯/২৪।’

তিনি বলেন, ‘উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে এবং লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে পুলিশ জোর তৎপরতা চালাচ্ছে।’

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে এসব অস্ত্র কোনো প্রভাব ফেলতে পারে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘লুট হওয়া অস্ত্র যদি কোনো অপরাধী চক্রের হাতে চলে যায়, তাহলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।’

পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনার পর থেকেই অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও সব অস্ত্র উদ্ধার না হওয়ায় সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

সিরাজগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ঠিক কতগুলো অস্ত্র লুট হয়েছিল তা এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লুট হওয়া এসব অস্ত্রের কোনো বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে আমি আশঙ্কা করছি না।’

স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা জানিয়েছেন, নির্বাচন সামনে রেখে লুট হওয়া অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার না হলে সহিংসতার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাঁরা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছেন।

হাটিকুমরুল এলাকার কয়েকজন ভোটার জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত না হলে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ায় মানুষ ভয় পেতে পারে। তাদের প্রত্যাশা, নির্বাচনের আগেই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা।

সচেতন মহল বলছে, লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে বিলম্ব পুরো জেলার নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাঁদের মতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে গোয়েন্দা তৎপরতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা আরও জোরদার করা জরুরি।

Link copied!