× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, বিশ্বনাথ (সিলেট)

প্রকাশিত: মে ২০, ২০২৬, ০৪:২১ পিএম

শখ থেকে বাণিজ্যিক সাফল্য, ঈদে খামারির কোটি টাকার টার্গেট

মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম, বিশ্বনাথ (সিলেট)

প্রকাশিত: মে ২০, ২০২৬, ০৪:২১ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় শখের বসে গড়ে তোলা একটি ছোট খামার এখন রূপ নিয়েছে কোটি টাকার বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে। যুক্তরাজ্য প্রবাসী উদ্যোক্তা তাজ উদ্দিনের প্রতিষ্ঠিত ‘মা এগ্রো ফার্ম’ থেকে বর্তমানে প্রতিবছর আয় হচ্ছে প্রায় ২০ লাখ টাকা। 

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে খামারটিতে প্রস্তুত করা হয়েছে বিভিন্ন আকারের ক্রস-ব্রিড জাতের গবাদিপশু। এর মধ্যে তিনটি সাইওয়ান ক্রস-ব্রিড গরু বিশেষভাবে নজর কাড়ছে। খামার কর্তৃপক্ষের দাবি, এর একটি হতে পারে এ বছর উপজেলার সবচেয়ে বড় গরু।

সরেজমিনে পৌরসভার হরিকলস গ্রামে অবস্থিত ‘মা এগ্রো ফার্ম’-এ গিয়ে দেখা যায়, খামারজুড়ে রয়েছে ছোট-বড় বিভিন্ন জাতের গরু। কয়েকটি ক্রস-ব্রিড গরু আকারে বেশ বড় হওয়ায় আগতদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। গরুগুলোর পরিচর্যায় তিনজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মী নিয়মিত কাজ করছেন। সাইলেজ, ভুসি, খৈল ও সবুজ ঘাস খাওয়ানোর পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতেও তারা ব্যস্ত সময় পার করছেন।

খামার সূত্রে জানা যায়, প্রায় আট বছর আগে ঘরের গাভীর একটি বাছুর দিয়ে খামারটির যাত্রা শুরু হয়। যুক্তরাজ্য প্রবাসী তাজ উদ্দিনের উদ্যোগে শুরু হওয়া খামারটির দেখভালের দায়িত্ব নেন তার সহোদর সালা উদ্দিন। শুরুতে দেশি জাতের গরু পালন করা হলেও পরবর্তীতে ক্রস-ব্রিড জাতের গরু পালনের দিকে ঝুঁকে পড়েন তারা। 

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বর্তমানে খামারটিতে বাণিজ্যিকভাবে গরু মোটাতাজাকরণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এখন খামারে প্রায় ৩০টি ছোট-বড় গরু রয়েছে। এবারের কোরবানির ঈদে খামারটি থেকে প্রায় কোটি টাকার বিক্রির আশা করছেন মালিকপক্ষ।

খামার পরিচালক সালা উদ্দিন বলেন, ‘বার ঈদে আমাদের খামারে উপজেলার সবচেয়ে বড় আকারের গরু রয়েছে বলে ধারণা করছি। বড় গরুগুলোর মধ্যে একটির দাম ধরা হয়েছে ৬ লাখ টাকা। এছাড়া বিভিন্ন দামের আরও গরু রয়েছে। ক্রেতাদের খামারে এসে গরুগুলো দেখার আহ্বান জানাচ্ছি।’

খামার মালিক তাজ উদ্দিন বলেন, ‘গরু পালন আমার শখ ছিল। সেই শখ থেকেই খামার শুরু করি। এখন এটি বড় পরিসরে পৌঁছেছে। ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।’

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুস শহীদ রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘প্রথমদিকে তারা দেশি জাতের গরু পালন করলেও বর্তমানে উন্নত জাতের ক্রস-ব্রিড গরু পালন করছেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী খামারটি পরিচালিত হচ্ছে। খামারে গরুর পরিচর্যা ও ব্যবস্থাপনাও সন্তোষজনক। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে খামারটিতে ভালো বেচাকেনার সম্ভাবনা রয়েছে।’

Link copied!