× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ০৫:০২ পিএম

ঠাকুরগাঁওয়ে কালবৈশাখীর তাণ্ডব, বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ০৫:০২ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে টানা দুই দিনের কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে জেলার বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে, ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়া এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ায় বিদ্যুতবিহীন হয়ে পড়েছে গোটা জেলা। এদিকে বজ্রপাতে জেলার পীরগঞ্জে লাবনী আক্তার নামে একজন গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) মধ্যরাতে হঠাৎ দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতসহ আঘাত হানে কালবৈশাখি ঝড়। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা ঘূর্ণিঝড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়। পরে ঝড়ের তীব্রতা কিছুটা কমলেও দফায় দফায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকে।

কালবৈশাখী ঝড়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে পড়েছে জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা। ইতোমধ্যে দেখা গেছে, কয়েকটি বসতঘর আংশিক ও সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। জেলার পীরগঞ্জে পাশাপাশি ভুট্টাসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কালবৈশাখী ঝড়ে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার রত্নাই স্কুলহাট এলাকায় প্রতিষ্ঠিত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দবিরিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানা কমপ্লেক্স এবং পীরগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি মাদরাসার টিনের চালা উড়িয়ে নিয়ে গেছে।

বাতাসের বেগে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া এলাকায় ৩৩ হাজার ভোল্টের মেইন লাইনের তার ছিঁড়ে পড়ে গেছে। এতে কয়েক হাজার মানুষ বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে। মোবাইল ফোন ও অটোচার্জার গাড়ি চার্জ দিতে না পেরে অনেকে পড়েছে বিপাকে।

বজ্রপাতে পীরগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামে সেলিনা আক্তার (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার বিকেলে হঠাৎ বজ্রসহ বৃষ্টিপাত শুরু হলে সেলিনা আক্তার বাড়ির আশপাশে অবস্থান করছিলেন। এ সময় বজ্রপাতের আঘাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নিহত সেলিনা আক্তার ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. রশিদুল ইসলামের স্ত্রী।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক আলমগীর কবীর জানান, ঝড়ের কারণে ভুট্টা ৩৫৮ হেক্টর, মরিচ ৯৪, শাকসবজি ২১, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ১, আম, লিচু ও পেঁপে মিলে ৩৮২ এবং কলা ৭ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রোববার বিকাল পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত ছিল। বেলা দেড়টায় হঠাৎ আকাশ অন্ধকার হয়ে সন্ধ্যার রূপ ধারণ করে।

এর আগে, শনিবার সকাল ৭টার দিকে এক দফা কালবৈশাখি ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র নিরূপণে কাজ চলমান রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদানের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

Link copied!