× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১, ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম

ভুল চিকিৎসায় প্রসূতির মৃত্যু, লাশ নিয়ে স্বজনদের ক্লিনিক ঘেরাও

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১, ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে একতা ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমে ভুল চিকিৎসার অভিযোগে এক প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উত্তেজিত স্বজনরা ক্লিনিক ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরে আড়াই লাখ টাকার বিনিময়ে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, গত ২১ এপ্রিল ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের আনিসুর রহমানের স্ত্রী শারমিন আক্তার প্রসববেদনা নিয়ে পীরগঞ্জের একতা ক্লিনিক অ্যান্ড নার্সিং হোমে ভর্তি হন।

১১ হাজার টাকায় সিজারিয়ান অপারেশনের চুক্তিতে তাকে ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ওই দিন রাতেই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে একটি পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।

তবে অপারেশনের পর থেকেই প্রসূতির রক্তক্ষরণ বন্ধ হচ্ছিল না, যা নিয়ে বিপাকে পড়ে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। অবস্থার অবনতি হলে স্বজনদের সহযোগিতায় তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ২৩ এপ্রিল পুনরায় তার অপারেশন করা হয়।

এরপর তার শারীরিক অবস্থা আরও সংকটাপন্ন হয়ে পড়ে এবং তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। অবশেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে লাশ নিয়ে স্বজনরা পীরগঞ্জের একতা ক্লিনিক ঘেরাও করেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ স্বজনরা ক্লিনিক ভাঙচুরের চেষ্টা চালালে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় আড়াই লাখ টাকার বিনিময়ে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিহতের পরিবারের সমঝোতা হলে স্বজনরা লাশ নিয়ে চলে যান।

নিহতের স্বামী আনিসুর রহমান বলেন, ‘আমার সব শেষ হয়ে গেছে। ভুল চিকিৎসার কারণে আমার স্ত্রী মারা গেছে। নবজাতক শিশুটির এখন কী হবে?’

একতা ক্লিনিকের পরিচালক আসলাম জানান, ‘রোগীর অবস্থা আগে থেকেই খারাপ ছিল। তিনি হৃদরোগ ও কিডনিসহ বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন। সিজারের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য সমস্যা দেখা দিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। আমাদের ক্লিনিকে তার মৃত্যু হয়নি। বিষয়টি আপস-মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে বলেও জানান তিনি’।

পীরগঞ্জ থানার ওসি ইকবাল হোসেন প্রামাণিক জানান, যেহেতু মৃত্যুটি অন্য জেলায় হয়েছে, তাই স্থানীয়ভাবে আইনি সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ ছাড়া এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগও করা হয়নি। তবে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!