× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৭:০৮ পিএম

‘নবীগঞ্জের ইতিকথা’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৭:০৮ পিএম

‘নবীগঞ্জের ইতিকথা’ মোড়ক উন্মোচন। ছবি- সংগৃহীত

‘নবীগঞ্জের ইতিকথা’ মোড়ক উন্মোচন। ছবি- সংগৃহীত

তৃতীয় বাংলার স্বনামখ্যাত লেখক ও গবেষক সাংবাদিক মতিয়ার চৌধুরী রচিত ‘নবীগঞ্জের ইতিকথা’ গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নবীগঞ্জের কুর্শি ইউনিয়ন পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা গ্রন্থটিকে ভবিষ্যৎ গবেষকদের জন্য সহায়ক দলিল হিসেবে অভিহিত করেন।

বিজনা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুর্শি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ খালেদুর রহমান, এবং সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক ও গীতিকার এম মুজিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে সরাসরি ও ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে বিভিন্ন গুণীজন গ্রন্থটির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

বক্তারা বলেন, গ্রন্থে নবীগঞ্জসহ সমগ্র সিলেট অঞ্চলের প্রায় শতাব্দীর ইতিহাস তথ্যনির্ভরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। লেখক প্রাচীনকাল, মধ্যযুগ, ব্রিটিশ শাসনামল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত নবীগঞ্জের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সামাজিক বিবর্তনের সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেছেন। বক্তারা আরও বলেন, এটি শুধুমাত্র গবেষকদের জন্য নয়, রাজনীতি, সাহিত্য ও লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের জন্যও সহায়ক দলিল হিসেবে কাজ করবে।

সম্মানীত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এস.আর চৌধুরী সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মিয়া, দিনারপুর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ তনুজ রায়, কবি ও সাহিত্যিক এম ও বাছিত, ছড়াকার জিয়া জালালী, সাংবাদিক হাসান আহমদ। ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন লেখক মতিয়ার চৌধুরী এবং নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার, কলামিস্ট ও গবেষক শাহ মনসুর আলী নোমান।

ভার্চুয়ালি বক্তব্যে লেখক মতিয়ার চৌধুরী বলেন, ‘আমার অনুপস্থিতিতেও মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করার জন্য আমি আপনাদের কাছে চিরঋণী। দীর্ঘ চল্লিশ বছর পর নতুন সংযোজনসহ গ্রন্থটির প্রথম সংস্করণ প্রকাশ করতে পেরে মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ইতিহাসের যেসব সংযোজন করেছি, তা সাধ্যানুসারে চেষ্টা করেছি। অনিচ্ছাকৃত কোনো ত্রুটি থাকলে ক্ষমা করবেন।’

উল্লেখ্য, গ্রন্থটি নবীগঞ্জের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে এবং ভবিষ্যৎ গবেষকদের জন্য প্রামাণ্য দলিল হিসেবে ব্যবহারযোগ্য হবে।

Link copied!