× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৫, ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম

ক্রেতা কম তবু স্বস্তি নেই সবজির বাজারে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৫, ২০২৬, ০৭:২৮ পিএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

ঈদুল আজহার ছুটির পর রাজধানী ঢাকার কাঁচাবাজারগুলোতে ক্রেতা ও বিক্রেতার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। গ্রামের বাড়ি থেকে অনেকেই এখনো না ফেরায় বাজারে বেচাকেনাও স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেকটাই স্থবির। তবে ঈদুল আজহার পরবর্তী এই সময়েও নিত্যপণ্যের দামে খুব বেশি স্বস্তি মেলেনি, বিশেষ করে সবজির বাজারে।

শুক্রবার (৫ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, মাছ-মাংস ও ডিমের দোকান আংশিকভাবে চালু থাকলেও ক্রেতার চাপ খুবই কম। অনেক দোকানদারকে ক্রেতার অপেক্ষায় সময় পার করতে দেখা গেছে। সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় বিভিন্ন পণ্যের দাম এখনো তুলনামূলকভাবে বেশি।

মুরগির বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজিপ্রতি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, সোনালি কক ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের মধ্যে লাল ডিম ডজনপ্রতি ১২০–১৩০ টাকা, সাদা ডিম ১১০ টাকা এবং হাঁসের ডিম ১৬০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজির বাজারে সবচেয়ে বেশি দামের চাপ লক্ষ্য করা গেছে। দেশি টমেটো ৮০ থেকে ১৭০ টাকা, গাজর ১৬০ টাকা, শিম ৩২০ টাকা, শসা ৬০ থেকে ১৬০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ৬০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বেগুন ৬০ থেকে ১২০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা, পটল ৬০ থেকে ৮০ টাকা, ঝিঙা ১০০ টাকা এবং ফুলকপি প্রতি পিস ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আলু ও পেঁয়াজের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকলেও মাছের দামে এখনও চড়া ভাব দেখা যাচ্ছে। আকারভেদে ইলিশ কেজিপ্রতি ১,৩০০ থেকে ৩,০০০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৫৫০ টাকা এবং অন্যান্য মাছও উচ্চ দামে বিক্রি হচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদের ছুটির কারণে পাইকারি আড়ত ও খুচরা দোকান পুরোপুরি চালু না হওয়ায় সরবরাহ কমেছে। ফলে বাজারে পণ্যের দাম এখনো স্বাভাবিক হয়নি। তবে তারা আশা করছেন, কয়েক দিনের মধ্যেই বাজার পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, সরবরাহ সংকটকে কাজে লাগিয়ে কিছু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন। অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, ক্রেতা কম থাকায় বিক্রিও কম হচ্ছে এবং বাজারে এখনো স্থিতিশীলতা আসেনি।

Link copied!