ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

উত্তরায় আগুনের ঘটনায় স্বামী স্ত্রীসহ দুই বছরের শিশুর মৃত্যু

মেডিকেল প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৩:৩৩ পিএম
উত্তরায় আগুন। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার ১১ নম্বর সেক্টর ১৮ নম্বর রোডের ৩৪নম্বর  বাসায়  আগুনের ধোঁয়ায় আফরোজা আক্তার (৩৭) এক নারীর মৃত্যু হয়। নিহত ওই নারী স্কয়ার ফার্মাসিটিক্যালের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার। মরদেহ ঢাকা মেডিকেলের মর্গে।

শুক্রবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল এগারোটার দিকে আচ্ছা তোর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত আফরোজার বোন আফরিন জাহান, আমার বোন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ হিসেবে চাকরি করতেন। আমার দুলাভাই কাজী ফজলে রাব্বি (এস কে এফ) ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডে চাকরি করতেন।

তিনি আরও বলেন, আমার দুলাভাই  ও আপা দুজনই কর্মজীবী হওয়ায় তাদের দুই ছেলেই উত্তরা নানীর বাসায় থাকত শুক্রবার অফিস বন্ধের দিন হওয়ায় গতরাতেই ছোট ছেলেকে নানির বাসা থেকে  বাসায় নিয়ে আসেন আমার বোন। সকালে ওই বাসায় আগুনের ঘটনা শুনতে পেয়ে আমরা ছুটে যাই। পরে ওখান থেকে জানতে পারি আমার দুলাভাই ফজলে রাব্বি (৩৯) ও তার ছেলে  ফাইয়াজ রিশান (০২) ওখান থেকে কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে নেওয়া হলে ওখানেই ধোয়ায় অসুস্থ হয়ে মারা গেছে। আমার বোন দুলাভাই ও ভাগিনার কারোর শরীরে কোন দগ্ধ হয়নি তারা ধোয়াতেই মারা গিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা সদর নানুয়া দিঘিরপাড়  আমিরুল ইসলামের মেয়ে ও কাজী ফজলে রাব্বি স্ত্রী। বর্তমানে,উত্তরা ১১ নং সেক্টর ১৮ নং রোড  ৩৪  নম্বর বাসার পাঁচতলায় পরিবার নিয়ে থাকতেন। আমার বোনের  দুই ছেলে কাজী ফাইয়াজ ও কাজী রাফসান।

জাতীয় বার্ন  প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আবাসিক সার্জন সহকারী অধ্যাপক  ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, উত্তরার আগুনে ঘটনায় আমাদের এখানে আফরোজাকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে তার শরীরে কোনো পোড়া ক্ষত নেই। ধোয়ায় অসুস্থ হয়ে তিনি মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে হলেও জানান তিনি।