ভবিষ্যৎ সরবরাহ পরিস্থিতি বিবেচনায় জ্বালানি তেল কেনার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার। এই সিদ্ধান্তের পর রাজধানীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে বেড়েছে ভিড়। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।
রাত পেরিয়ে মধ্যরাত হলেও থেমে নেই অপেক্ষা। শহর অনেকটা নিস্তব্ধ থাকলেও তেলের পাম্পগুলোর সামনে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে আছে গাড়ির দীর্ঘ লাইন। কোথাও কোথাও সেই সারি মূল সড়ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে।
সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা এবং ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ কমাতে সরকার তেল বিক্রিতে সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করে। এর পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন পাম্পে একসঙ্গে বেশি মানুষ তেল নিতে আসায় ভিড় বেড়েছে।
লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা অনেক চালক অভিযোগ করেন, কিছু পাম্পে তেলের পরিমাণ কম দেওয়া হচ্ছে। এতে ভোগান্তি আরও বাড়ছে বলে দাবি তাদের।
ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আতঙ্কে অতিরিক্ত তেল মজুতের প্রবণতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে। তাই সবাইকে ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ভোক্তা সংগঠন কনজ্যুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, দেশের বাস্তবতা বুঝে জ্বালানি ব্যবহার করতে হবে। সবাই যদি একসঙ্গে বেশি পরিমাণে তেল নিতে যান, তাহলে সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হবে। এ কারণে অপ্রয়োজনীয় মজুত না করে সাশ্রয়ীভাবে জ্বালানি ব্যবহারের আহ্বান জানান তিনি।
এদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। গুজব বা আতঙ্কে অতিরিক্ত তেল কেনা থেকে বিরত থাকার জন্যও সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন