× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৮, ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

স্টার কাবাবে লাঞ্ছিতের ঘটনায় ক্ষুব্ধ গ্রাহক 

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৮, ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

ভিডিও থেকে নেওয়া ছবি

ভিডিও থেকে নেওয়া ছবি

রাজধানীর পুরান ঢাকার রায় সাহেব বাজার মোড়ের জনসন রোডে অবস্থিত স্টার হোটেলের একটি শাখায় শনিবার (৭ মার্চ) একজন মধ্যবয়স্ক গ্রাহককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়, ইফতারের সময় অন্তত ১০ জন কর্মী ওই গ্রাহকের ওপর চেয়ার, পানির বোতল এবং কাচের গ্লাস ছুড়ে মারেন। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে।

তবে এবারই প্রথম নয়, এর আগেও বনানী শাখায় একই ধরনের ঘটনা ঘটে, যেখানে গ্রাহক সালেহ মোহাম্মদ রশীদ অলককে লাঞ্ছিত করা হয়। ওই ঘটনায় বনানী থানায় মামলাও করা হয়েছিল। এরপর গ্রাহক ও স্টার কাবাবের মধ্যে সমাধানসূচক সমঝোতা হয়। স্টার কাবাব গ্রাহকের চিকিৎসা ব্যয় ও ক্ষতিপূরণ দিতে চাইলেও তিনি তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান এবং ক্ষমার শর্ত হিসেবে ১ হাজার এতিমকে একবেলা বিনা মূল্যে খাবার বিতরণের নির্দেশ দেন।

এবারের ঘটনার জন্য স্টার কাবাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা রিসিভ করেন নি।

এ বিষয়ে স্টার হেটেলের গ্রাহক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঘটনাটি শুধু অশোভনই নয়, বরং অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়। একটি রেস্টুরেন্ট সাধারণত এমন জায়গা যেখানে মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে সময় কাটাতে যায়। সেখানে গ্রাহকের সঙ্গে এমন সহিংস ও অপমানজনক আচরণ একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে মাহে রমজানের মতো সংযম, সহমর্মিতা ও মানবিকতার মাসে এই ধরনের ঘটনা আরও বেশি দুঃখজনক এবং ক্ষমার অযোগ্য।

গ্রাহক ও সামাজিক পর্যবেক্ষকরা এই ঘটনার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। আরেকজন গ্রাহক বলেন, স্টার কাবাব নিয়মিতভাবে গ্রাহকদের শারীরিক ও মানসিকভাবে লাঞ্ছিত করে থাকে। বিশেষ করে রমজান মাস ও ঈদের সময় তাদের আচরণ আরও খারাপ হয়। আমাদের উচিত এই হোটেলকে বয়কট করা।

অপর একজন গ্রাহক বলেন, এ ধরনের সহিংস ও অপমানজনক আচরণ একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে মাহে রমজান, সংযম ও সহমর্মিতার মাসে এমন ঘটনা আরও দুঃখজনক এবং ক্ষমার অযোগ্য।

মো. সুমন বলেন, সংশ্লিষ্ট রেস্টুরেন্টকে অবশ্যই প্রকাশ্যে গ্রাহকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত এবং ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। বিশেষভাবে কর্তৃপক্ষের উচিত এমন ঘটনার জন্য বড় অঙ্কের জরিমানা আরোপ করা, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের আচরণ করার সাহস না পায়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যারা সরাসরি ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, প্রয়োজনে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা পর্যন্ত। পাশাপাশি, এই রেস্টুরেন্টের বয়কটও যুক্তিযুক্ত। গ্রাহকের নিরাপত্তা ও সম্মান কোনো বিলাসিতা নয়; এটি প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ও কর্মীর মৌলিক দায়িত্ব।
 

Link copied!