× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম

ফিলিং স্টেশনে ভিড়, স্থবির ঢাকার সড়ক

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ০৫:১৩ পিএম

রাজধানীতে তীব্র যানজট। পুরোনো ছবি

রাজধানীতে তীব্র যানজট। পুরোনো ছবি

রাজধানীজুড়ে এখন এক অদ্ভুত দৃশ্য। রাজপথের স্বাভাবিক গতি থমকে গেছে তেলের পাম্পকে কেন্দ্র করে। শহরের যেখানেই পেট্রোলপাম্প সেখানেই অসহনীয় যানজটের নতুন কেন্দ্রবিন্দু। তেলের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা যানবাহনের দীর্ঘ সারি সড়ককে এতটাই সংকুচিত করেছে যে, সাধারণ চলাচল কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজটের। এতে নগরজীবনে চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর আসাদ গেটের তালুকদার ফিলিং স্টেশন, সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশন, বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনসহ, নাবিস্কু, মালিবাগ, উত্তরা, মিরপুর, গাবতলী এলাকার সর্বত্রই ছিল তেলের জন্য হাহাকার। পাশাপাশি রাজপথের দখল নেওয়া স্থির যানবাহনের সারি।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর বেশকিছু ফিলিং স্টেশন বন্ধ। আর যেসব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি মিলছে, সেগুলোতে দীর্ঘ লাইন। রোদ-গরমে, ঝড়-বৃষ্টিতেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে জ্বালানি তেল নিতে হচ্ছে চালকদের। এক লিটার জ্বালানির জন্য নগরবাসীর অন্তহীন প্রতীক্ষা। তেলের লাইনের কারণে কয়েক কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হওয়ায় যাত্রীদের বাস থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

বিজয় সরণির ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে লাইনে দাঁড়ানো ব্যবসায়ী মাহমুদ হাসান ঘাম মুছতে মুছতে বলেন, ‘দুই ঘণ্টার বেশি দাঁড়িয়ে আছি। মোটরসাইকেলের তেল শেষ। ব্যবসার কাজে গাজীপুর যাব। কখন তেল পাব জানি না।’

অ্যাপসভিত্তিক রাইডার রাকিবের কণ্ঠে ঝরে পড়ল হাহাকার। তিনি বলেন, ‘বাইকের চাকা ঘুরলে আমার চুলা জ্বলে। ৩ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। কখন যে তেল পাব নিশ্চয়তা নেই। যদি তেল না পাই, তবে কিস্তি দিমু কী আর খামু কী?’

ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনের সামনে গাড়ির সারি মহাখালী রেলগেট ছাড়িয়ে যাওয়ায় এ দিন অফিসগামীদের ভোগান্তি ছিল চরমে। অফিসগামী একটি বাসের যাত্রী বলেন, ‘যেখানে আধা ঘণ্টার রাস্তা, সেখানে দেড় ঘণ্টা ধরে বসে আছি। গাড়ি একবার একটু এগোয়, আবার ১০-১৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকে। সড়কের পাশে মোটরসাইকেল ও গাড়ির দীর্ঘ সারি হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।’

অন্যদিকে যাত্রীবাহী বাস চালকদের অভিযোগ, রাস্তা ফাঁকা থাকলেও পাম্পের লাইনের জন্য তারা ট্রিপ দিতে পারছেন না।

ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, এই যানজট কোনো স্বাভাবিক চাপ নয়। এটি ‘স্ট্যাটিক কনজেশন’ অর্থাৎ, চলমান গাড়ির চাপ নয়, বরং স্থির লাইনের কারণেই সড়ক দখল হয়ে যাচ্ছে। একটি পাম্পে যদি ২০০ গাড়ি লাইনে দাঁড়ায়, তার অর্ধেকই রাস্তায় উঠে আসে। তখন পুরো লেন ব্লক হয়ে যায়।

Link copied!