ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

পল্টন-কাকরাইল সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি, জনদুর্ভোগ চরমে

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ০৯:৫২ এএম
ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর পল্টন মোড় থেকে রমনা থানা পর্যন্ত এলাকায় চলছে বিদ্যুৎ লাইন স্থানান্তরের কাজ। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) এই উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য গত এক সপ্তাহ ধরে সড়ক খুঁড়ে রাখায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। 

জানা গেছে, গত ১৩ এপ্রিল পল্টন মোড় এলাকা থেকে এই খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়। শুক্রবার পর্যন্ত কাজ এগিয়ে কাকরাইলের সেগুনবাগিচা মোড় পর্যন্ত পৌঁছেছে। 

ডিপিডিসির নিয়োগ করা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ‘মুন্সি এন্টারপ্রাইজ’ মাটির নিচ দিয়ে হাইভোল্টেজ বৈদ্যুতিক লাইন স্থানান্তরের কাজ করছে। রাস্তার একপাশের বড় অংশজুড়ে গর্ত ও স্তূপ করে রাখা মাটির কারণে একটি লেনে যান চলাচল প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও নিয়মিত যাতায়াতকারীরা জানান, পল্টন থেকে কাকরাইল পর্যন্ত সড়কটি অত্যন্ত ব্যস্ত। দিনের বেলা ব্যস্ত সময়ে এই খোঁড়াখুঁড়ি চলায় যানবাহনের গতি ধীর হয়ে যাচ্ছে। 

গত বুধ ও বৃহস্পতিবার অফিস চলাকালে এই সড়কে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহন আটকে থাকতে দেখা গেছে। শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় চাপ কিছুটা কম থাকলেও, ভোগান্তি থেকে পুরোপুরি মুক্তি মেলেনি পথচারীদের।

কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা জানান, মাটির নিচে আগে থেকেই বিভিন্ন সংস্থার অসংখ্য তার ও পাইপলাইন থাকায় কাজ করতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। সাবধানতার সঙ্গে খনন করতে গিয়ে কাজের গতি কিছুটা ধীর হয়ে পড়েছে। 

জানা যায়, বর্তমান শিডিউল অনুযায়ী, আগামী ৩ মে পর্যন্ত এই খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলার কথা রয়েছে।

এদিকে সেগুনবাগিচা এলাকার বাসিন্দারা জানান, জনভোগান্তি কমাতে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে রাতেই কাজ করা উচিত ছিল। দিনের বেলা খোঁড়াখুঁড়ি চলায় আশপাশের অলিগলিতেও যানবাহনের বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মুন্সি এন্টারপ্রাইজের সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. কাদের বলেন, আমরা সিটি করপোরেশনের নিয়ম ও অনুমতি মেনেই কাজ করছি। কাজ দ্রুত শেষ করতে দুই শিফটে শ্রমিকরা নিয়োজিত আছেন। এ ছাড়া যানজট যাতে তীব্র না হয়, সেজন্য আমাদের কর্মীরা সড়কে গাড়ি চলাচলে সহায়তা করছেন।