× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ২০, ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম

বনশ্রীতে মাদ্রাসার বাথরুম থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মে ২০, ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম

প্রতীকী ছবি । সংগৃহীত

প্রতীকী ছবি । সংগৃহীত

রাজধানীর রামপুরা বনশ্রী এলাকার একটি মাদ্রাসার বাথরুম থেকে মো. আব্দুল্লাহ (১০) নামে এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২০ মে) বিকেলে রামপুরা থানা পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগে, মঙ্গলবার (১৯ মে) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বনশ্রী সি ব্লকের তিন নম্বর রোডে আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসার তৃতীয় তলার বাথরুম থেকে উদ্ধার করা হয় আব্দুল্লাহর মরদেহ। এরপর ময়নাতদন্তের জন্যও মরদেহটি বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায় পুলিশ। 

রামপুরা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে গতরাতে মাদ্রাসার তৃতীয় তলার বাথরুমে গামছা পেছানো ঝুলন্ত লাশটি উদ্ধার করা হয়।

তার শরীরে কোথাও কোনো জখমের চিহ্ন না থাকলেও পায়ুপথে অস্বাভাবিক। তাকে বলাৎকার করা হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলেই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আব্দুল্লার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর উপজেলার অনুপনগর গ্রামে। তার বাবার নাম আবুল কালাম আজাদ ও মা টুকু আরা খাতুন। 

মাদ্রাসাটির প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মাদ্রাসাটি উদ্বোধন হয়, তখনকার সর্বপ্রথম শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ। মাদ্রাসাতে থেকেই হেফজ বিভাগে পড়াশোনা করত সে। মঙ্গলবার মাগরিবের পর সে বাথরুমে যায়। অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও বাথরুম থেকে বের না হওয়ায় তাদের সন্দেহ হলে শিক্ষকরা মিলে বাথরুমের দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকে দেখেন, গামছা দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় রয়েছে সে। সঙ্গে সঙ্গে তারা ট্রিপল লাইনের মাধ্যমে থানায় খবর দেন। পরবর্তীতে থানা থেকে পুলিশ এসে লাশ নামায়।

আব্দুল্লাহর পায়ুপথে জখমের চিহ্ন রয়েছে। তাকে বলাৎকার করা হয়ে থাকতে পারে, পুলিশের এমন ধারণার বিষয়ে জানতে চাইলে এই শিক্ষক বলেন, মাদ্রাসায় তিনিসহ পাঁচজন শিক্ষক, দুইজন স্টাফ এবং সর্বমোট ৫৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে কেউই তেমন কিছুই বলতে পারেনি। এদের মধ্যে কয়েকজন শিক্ষার্থী শিহাব (১৭), নামে এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কিছু কথা জানিয়েছে। যেগুলো সন্দেহজনক। তবে মঙ্গলবার বিকেলেই সে ছুটি নিয়ে মাদ্রাসা থেকে বেরিয়ে গেছে। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তার বাড়িতেও তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!