× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫, ০১:৫১ পিএম

ফয়সালের অবস্থান নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫, ০১:৫১ পিএম

শরিফ ওসমান হাদি ও  ফয়সাল করিম মাসুদ। ছবি - সংগৃহীত

শরিফ ওসমান হাদি ও ফয়সাল করিম মাসুদ। ছবি - সংগৃহীত

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে ভারতে পালিয়ে গেছে প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, হত্যাচেষ্টার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ফয়সাল দেশত্যাগ করে এবং বর্তমানে ভারতের মহারাষ্ট্রে অবস্থান করছে।

পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া ফিলিপের দুই সহযোগীর তথ্য অনুযায়ী, ফয়সাল ভুটিয়াপাড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়েছে।

এদিকে ফয়সালের ফোনের আইপি অ্যাড্রেস মহারাষ্ট্রে অবস্থান নিশ্চিত করেছে। সে ভারতের রিলায়েন্স কোম্পানির সংযোগ ব্যবহার করে যোগাযোগ রক্ষা করছে।

যদিও প্রধান দুই আসামি পলাতক, তদন্তে পুরো হত্যাকাণ্ডের নকশা সামনে এসেছে। ফয়সাল করিম গত জুলাইয়ে কামাল, রুবেল ও মাইনুদ্দিনদের নিয়ে কিলিং মিশনে অংশ নেয়। তারা সবাই কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, ৪ ডিসেম্বর রাত ৮টা ১৮ মিনিটে ফয়সাল ও তার সহযোগী কবির বাংলামটরের ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে পৌঁছায়। বৈঠকটি ছিল মূলত হাদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরির প্রথম ধাপ। ফয়সাল হাদিকে কাজ করার প্রস্তাব দেয়। এরপর ৯ ডিসেম্বর রাতে আবারও কালচারাল সেন্টারে আসে ফয়সাল। এবার তার সঙ্গে ছিল না কবির; নতুন সঙ্গী ছিল আলমগীর। বৈঠকে আলোচনার বিষয় ছিল নির্বাচনি প্রচারণার পরিকল্পনা। সেই বৈঠক থেকেই ফয়সাল হাদির টিমে ঢুকে পড়ে।

পরদিন ১২ ডিসেম্বর ফয়সাল হাদির প্রচারণায় সরাসরি অংশ নেয়। প্রচারণায় অংশ নেওয়ার পরই হাদিকে হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে। মিশন বাস্তবায়নের জন্য নরসিংদী, সাভার, মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় রেকি করে। ১১ ডিসেম্বর পশ্চিম আগারগাঁওয়ে তার বোনের বাসায় মিশন প্রস্তুতি নেয়। হামলার দিন ভোরে উবারে করে হেমায়েতপুরের একটি রিসোর্টে যায়।

রিসোর্টের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ভোর ৫টা ২২ মিনিটে ফয়সাল ও আলমগীরের গাড়ি গ্রিন জোন রিসোর্টে প্রবেশ করে। সেখানে আগে থেকেই অবস্থান করছিল ফয়সালের বান্ধবী মারিয়া ও তার বোন। ফয়সাল হাদির একটি ভিডিও বান্ধবীকে দেখিয়ে জানায়, সে হাদির মাথায় গুলি করার পরিকল্পনা করেছে এবং এতে দেশে আলোড়ন সৃষ্টি হবে। ঘটনার পর সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। পরে বান্ধবীকে উবারে করে বাড্ডায় নামিয়ে দেয়।

বেলা ১১টা ৫ মিনিটে আগারগাঁওয়ের বাসা থেকে মোটরসাইকেলে বের হয় ফয়সাল ও আলমগীর। তারা সরাসরি হাদির সেগুনবাগিচার প্রচারণায় যায়। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পৌঁছে। প্রচারণা শেষে দুপুর ১২টা ২২ মিনিটে হাদি মতিঝিলের উদ্দেশে রওনা হলে ফয়সালরা পেছনে অনুসরণ করতে থাকে।

দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে হাদিকে বহন করা অটোরিকশা মতিঝিলের জামিয়া দারুল উলুম মসজিদের সামনে পৌঁছায়। আলমগীর মোটরসাইকেল পার্ক করলে দুজন নেমে প্রচারণায় যুক্ত হয়। নামাজ শেষে দুপুর ২টা ১৬ মিনিটে হাদি সেখান থেকে রওনা হলে ফয়সালরা পিছু নেয়। উল্টো পথে মতিঝিল শাপলা চত্বর হয়ে দৈনিক বাংলা মোড়ে ডানদিকে ঘুরে পল্টনের বক্স-কালভার্ট সড়কে ঢুকে পড়ে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ফাঁকা জায়গা খুঁজে বেড়ানোর পর দুপুর ২টা ২৪ মিনিটে ফয়সাল খুব কাছ থেকে হাদিকে লক্ষ্য করে দুটি গুলি ছোড়ে।

Link copied!