× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম

ইউসিবিএল-এর ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সাবেক ২ পরিচালক কারাগারে

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৩১, ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম

ইউসিবিএল টাকা আত্মসাৎ: সাবেক ২ পরিচালক কারাগারে ছবি : সংগৃহীত

ইউসিবিএল টাকা আত্মসাৎ: সাবেক ২ পরিচালক কারাগারে ছবি : সংগৃহীত

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের (ইউসিবিএল) ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও হুণ্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় ব্যাংকটির সাবেক দুই পরিচালককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৩১ মার্চ) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালতে সাবেক দুই পরিচালক, অপরূপ চৌধুরী (৬৫) ও তৌহিদ সিপার রফিকুজ্জামান (৬৬) আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ১১ মার্চ একই আদালত সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের উপ-পরিচালক মো. মশিউর রহমান গত ৫ জানুয়ারি আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করেন। আগামী ৫ এপ্রিল মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য রয়েছে।

মামলার প্রধান আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ও তার স্ত্রী রুকমীলা জামান (সাবেক চেয়ারম্যান, ইউসিবিএল)। সাবেক পরিচালক আসিফুজ্জামান চৌধুরী ও রোকসানা জামান চৌধুরী। এছাড়া সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুর এবং সাবেক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ কাদরীসহ ব্যাংকের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আরামিট গ্রুপের কর্মচারীগণ।

দুদকের প্রসিকিউটর মোকাররম হোসাইন জানান, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ‘ভিশন ট্রেডিং’ নামে একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান সাজিয়ে ইউসিবিএল থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করান। পরবর্তীতে সেই টাকা তুলে হুণ্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয়। ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির মধ্যে এই জালিয়াতির ঘটনা ঘটে।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পাচারকৃত অর্থ দিয়ে বিদেশে সম্পত্তি কেনা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

২০২৫ সালের ২৪ জুলাই ৩১ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেছিল দুদক। তদন্ত চলাকালীন আরও ৭ জনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় মোট ৩৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়। উল্লেখ্য যে, মূল এজাহারভুক্ত ২ জন আসামি মারা যাওয়ায় তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় মোট ৯২ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!