× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৪:২৩ এএম

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে সুখবর

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ০৪:২৩ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

বহু প্রতীক্ষিত বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরু করার পথে বড় অগ্রগতি এসেছে। বদলি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সফটওয়্যার নির্মাণে কারিগরি সহায়তাদানকারী প্রতিষ্ঠান টেলিটক লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের অনুমোদন দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে যেকোনো সময় এ চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) একাধিক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তাঁরা জানান, বদলির সফটওয়্যার সংক্রান্ত কারিগরি সহায়তার জন্য টেলিটকের সঙ্গে চুক্তির অনুমোদন চেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে সে অনুমোদন দিয়েছে। এখন চুক্তি স্বাক্ষরে আর কোনো বাধা নেই।

চুক্তি কবে নাগাদ হতে পারে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই চুক্তি সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে। শিগগিরই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।

এদিকে বদলির সংশোধিত নীতিমালা নিয়েও কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তাঁদের ভাষ্য, দ্রুতই সংশোধিত নীতিমালা প্রকাশ করা হতে পারে।

প্রসঙ্গত, বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে শুধু এনটিআরসিএর সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নয়, সব এমপিওভুক্ত শিক্ষকের জন্য একটি সমন্বিত সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা করা হয়। এ সফটওয়্যার তৈরির দায়িত্ব পায় টেলিটক লিমিটেড।

জানা যায়, এনটিআরসিএর সুপারিশে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের আগে বদলির কোনো সুযোগ ছিল না। প্রথম থেকে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তি পর্যন্ত ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা আবেদন করে প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সুযোগ পেলেও চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তি থেকে সে সুযোগ বন্ধ করে দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

পরবর্তীতে শিক্ষকদের আন্দোলনের মুখে বদলি কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং একটি বদলি নীতিমালাও প্রণয়ন করা হয়। তবে রিট মামলা, সফটওয়্যার প্রস্তুত না হওয়া এবং নীতিমালা সংশোধনের মতো বিভিন্ন কারণে এত দিন কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হয়নি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!