× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৯:৩৮ পিএম

নির্বাচনি দায়িত্বে যুক্ত শিক্ষকরা পাবেন না সরকারি ছুটি

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৯:৩৮ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য সারা দেশে প্রায় ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্র খোলা হবে। এসব কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন সরকারি কর্মকর্তা ও শিক্ষকরা। এই কারণে নির্বাচন উপলক্ষে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি তারা উপভোগ করতে পারবেন না।

উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি এবং শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের জন্য ১০ ফেব্রুয়ারি ছুটি থাকবে। নির্বাচনের দিন, ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবারও সাধারণ ছুটি থাকবে। এর পরের দুই দিন (শুক্রবার ও শনিবার) সরকারি চাকরিজীবীরা সাপ্তাহিক ছুটি পাবেন। তাই অনেক সরকারি কর্মকর্তা টানা তিন দিনের ছুটি পাবেন, তবে নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি যুক্তরা এই ছুটি থেকে বঞ্চিত হবেন।

প্রেস সচিব শফিকুল আলম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন সরকারি ছুটি থাকবে। আজকের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে ১১ ফেব্রুয়ারি সাধারণ ছুটি এবং ১০ ফেব্রুয়ারি শিল্পাঞ্চলের শ্রমিক ও কর্মচারীদের ছুটি অনুমোদন করা হয়েছে। তবে শ্রমিকদের ছুটির বিস্তারিত তথ্য এখনো সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো থেকে পাওয়া যায়নি।

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ভোটকেন্দ্রে বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী ভোট পরিচালনার জন্য একটি অর্গানোগ্রাম অনুসরণ করা হয়।

  • সবার শীর্ষে থাকেন রিটার্নিং অফিসার, যারা সার্বিক ভোট প্রক্রিয়ার তত্ত্বাবধান করেন;
  • তাদের সহায়ক হিসেবে কাজ করেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার;
  • ভোটকেন্দ্রের সার্বিক দায়িত্বে থাকেন প্রিজাইডিং অফিসার, যাদের অধীনে থাকেন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার;
  • সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের অধীনে থাকে দুজন করে পোলিং অফিসার;

এ ছাড়া নির্বাচন চলাকালীন সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সেবা চলমান থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • জরুরি পরিষেবা: বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরের কার্যক্রম;
  • যোগাযোগ ও পরিচ্ছন্নতা: টেলিফোন, ইন্টারনেট, ডাকসেবা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট যানবাহন;
  • চিকিৎসাসেবা: হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসা, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন;
  • জরুরি অফিস: যেসব অফিস সরাসরি জরুরি পরিষেবার সঙ্গে সংযুক্ত;

এভাবে নির্বাচনের সময় সরকারি ছুটি অনেকের জন্য প্রযোজ্য হলেও নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কর্মকর্তা ও শিক্ষকরা সাধারণ ছুটি ভোগ করতে পারবেন না।

Link copied!