× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম

শিক্ষকরা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন না করলে ১ বছরের জেল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ০৬:২৪ পিএম

সংসদ নির্বাচন। ছবি : সংগৃহীত

সংসদ নির্বাচন। ছবি : সংগৃহীত

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের ভূমিকা অপরিসীম। সরকারি চাকরিজীবী, শিক্ষক ও আনসার সদস্যদের নির্বাচনি দায়িত্ব দেওয়া হয়ে থাকে। তবে প্রশ্ন উঠেছে, শিক্ষকরা যদি এবারের নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করতে না চান কিংবা ভোটের দিন অবহেলা বা গাফিলতি করেন, সে জন্য কী ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)?

বলা হচ্ছে, নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১’ অনুযায়ী দায়িত্ব পালনে সামান্য অবহেলা বা গাফিলতির ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ লক্ষ্যে সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের কাছে একটি পরিপত্র পাঠানো হয়েছে। ওই পরিপত্রের ধারাবাহিকতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগও তাদের আওতাধীন সকল দপ্তর, অধিদপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা পাঠিয়েছে।

সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিপুলসংখ্যক শিক্ষক জাতীয় নির্বাচনে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ কারণে নির্বাচনের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা’ হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং তারা সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন।

কোন কাজ ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে

১. নির্বাচনি দায়িত্ব গ্রহণে অনীহা বা অস্বীকৃতি;

২. দায়িত্ব পালনে ইচ্ছাকৃত অবহেলা বা শৈথিল্য;

৩. কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য;

৪. নির্বাচনি কাজে ভুল, বিভ্রান্তিকর বা মিথ্যা তথ্য প্রদান;

৫. নির্বাচন-সংক্রান্ত আইন বা বিধি ইচ্ছাকৃতভাবে লঙ্ঘন।

কী ধরনের শাস্তি হতে পারে

১. সাময়িক বরখাস্ত (সর্বোচ্চ দুই মাস);

২. অভিযোগ গুরুতর হলে চাকরি থেকে অপসারণ বা বরখাস্ত;

৩. পদাবনতি;

৪. বাধ্যতামূলক অবসর;

৫. পদোন্নতি বা বেতন বৃদ্ধি দুই বছর পর্যন্ত স্থগিত।

এ ছাড়া প্রশাসনিক শাস্তির পাশাপাশি ফৌজদারি শাস্তিরও বিধান রয়েছে। আইন অনুযায়ী, দায়িত্ব গ্রহণে অস্বীকৃতি বা বাধা দিলে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। কমিশনের আদেশ অমান্য করলে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা দুই হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে।

Link copied!