× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম

পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে আসছে বড় পরিবর্তন

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৫:০৯ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কাঠামোগত ও নীতিগত বড় পরিবর্তনের আভাস দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানিয়েছেন, ঈদুল ফিতরের পর একটি সমন্বিত শিক্ষা রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে, যেখানে পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের দিকনির্দেশনা থাকবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়-এর সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

তিন ধাপে বাস্তবায়ন পরিকল্পনা

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ববি হাজ্জাজ জানান, শিক্ষা খাতে পরিবর্তন আনার জন্য সরকার তিন ধাপের নির্দিষ্ট টাইমলাইন ধরে এগোবে।

প্রথম ধাপ: ঈদুল ফিতর পর্যন্ত প্রস্তুতি পর্ব

প্রথম ধাপ চলবে এখন থেকে ঈদুল ফিতর পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে শিক্ষা খাতে চলমান বাজেট ও প্রকল্প বাস্তবায়নের ওপর একটি ‘ডায়াগনস্টিক রিভিউ’ করা হবে। উন্নয়ন বাজেটের প্রায় ৫৩ শতাংশ ফেরত যাওয়ার পেছনের কারণ চিহ্নিত করতে ‘রুট-কজ অ্যানালাইসিস’ পরিচালিত হবে।

এ ছাড়া শিক্ষকদের মধ্যে ট্যাব বিতরণ, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম সম্প্রসারণ এবং ভাষা শিক্ষার উন্নয়নে পাইলট প্রকল্পের নকশা প্রণয়ন করা হবে। অর্থাৎ, প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার ভিত্তি শক্ত করতে এ ধাপে প্রাথমিক কাঠামো তৈরি করা হবে।

দ্বিতীয় ধাপ: জাতীয় শিক্ষা রোডম্যাপ ঘোষণা

দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে ঈদুল ফিতরের পর। প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর সম্মতি নিয়ে একটি সমন্বিত জাতীয় শিক্ষা রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে।

এই রোডম্যাপ হবে মন্ত্রণালয়ভিত্তিক ও বিভাগভিত্তিক, যেখানে নির্দিষ্ট লক্ষ্য, সময়সীমা এবং পরিমাপযোগ্য সূচক (কেপিআই) থাকবে। অর্থাৎ শুধু নীতিগত ঘোষণা নয়, বরং বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন কাঠামোও নির্ধারণ করা হবে।

তৃতীয় ধাপ: ১২ থেকে ৩৬ মাসে টেকনিক্যাল সংস্কার

তৃতীয় ধাপের সময়সীমা ধরা হয়েছে এক থেকে তিন বছর (১২–৩৬ মাস)। এ পর্যায়ে পরীক্ষা ও মূল্যায়ন ব্যবস্থায় বড় ধরনের টেকনিক্যাল সংস্কার আনা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান পরীক্ষাভিত্তিক মুখস্থনির্ভর পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে এসে দক্ষতা, বিশ্লেষণক্ষমতা ও ব্যবহারিক জ্ঞানকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। একই সঙ্গে কারিগরি, সাধারণ ও মাদরাসা শিক্ষার মধ্যে সেতুবন্ধন (ব্রিজিং) তৈরি করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা এক ধারার শিক্ষা থেকে অন্য ধারায় সহজে স্থানান্তরিত হতে পারে।

বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণা ও উদ্ভাবন (ইনোভেশন) কার্যক্রম জোরদার করতে গবেষণা অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো এবং তা কার্যকরভাবে ব্যবস্থাপনার পরিকল্পনাও রয়েছে। এর মাধ্যমে উচ্চশিক্ষায় মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

কাঠামোগত পরিবর্তনের বার্তা

সার্বিকভাবে সরকারের এই উদ্যোগ শিক্ষা ব্যবস্থায় কাঠামোগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বাজেট ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি সংযোজন, পরীক্ষা পদ্ধতির সংস্কার এবং শিক্ষা ধারাগুলোর মধ্যে সমন্বয়—সব মিলিয়ে একটি দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তর পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা বলছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ঈদুল ফিতরের পর ঘোষিত রোডম্যাপের মাধ্যমে এসব উদ্যোগের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রকাশ পাবে বলে জানানো হয়েছে।

Link copied!