× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২৬, ০৮:১৭ পিএম

সাত কলেজ ইস্যুতে স্থায়ী সমাধানে কাজ চলছে : শিক্ষামন্ত্রী

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২৬, ০৮:১৭ পিএম

সাত কলেজের লোগো। ছবি- সংগৃহীত

সাত কলেজের লোগো। ছবি- সংগৃহীত

সাত কলেজ ইস্যুতে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি সাময়িক সমাধান ইতোমধ্যেই হয়েছে, তবে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

বুধবার (৪ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ভবনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজ, এবং উপস্থিত ছিলেন ইউজিসি সদস্যবৃন্দ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে সুষ্ঠু সমন্বয় নিশ্চিত করতে শিক্ষামন্ত্রী ইউজিসিকে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের কার্যক্রম শুধু তদারকির পর্যায়ে সীমিত না রেখে স্ব-উদ্যোগে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়নের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষার সাফল্য ও ব্যর্থতা ইউজিসির কার্যকারিতার ওপর নির্ভরশীল।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সাত কলেজ ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের স্বার্থ বিবেচনায় রেখে একটি টেকসই কাঠামো নির্ধারণ করা হবে। তিনি বলেন, যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতামত গুরুত্ব সহকারে নেওয়া হবে।

সভায় তিনি দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, দক্ষতা ও চাহিদাভিত্তিক শিক্ষা কারিকুলাম প্রবর্তন এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণার মান উন্নয়নের ওপরও জোর দেন। তিনি বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের আন্তর্জাতিক র‍্যাংকিং ক্রমশ নিম্নমুখী হওয়া উদ্বেগজনক, যা দ্রুত সমাধান প্রয়োজন।

শিক্ষামন্ত্রী অন্তত একটি মানসম্পন্ন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ইউজিসির পক্ষ থেকে সভায় উচ্চশিক্ষা কমিশন আইন দ্রুত অনুমোদন, চাকরি প্রবিধানমালা সংশোধন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সমস্যা সমাধান এবং সার্ক ফেলোশিপ পুনঃসূচনাসহ বিভিন্ন প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়।

শিক্ষামন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে পাঁচ থেকে দশ বছরের মধ্যে বাংলাদেশও আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা ও শিক্ষা কার্যক্রমে দৃঢ় অবস্থানে পৌঁছাতে পারবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক সুবিধা এবং বৃত্তি বৃদ্ধির জন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানান তিনি।

সাত কলেজ ইস্যুর স্থায়ী সমাধানে অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা চলমান থাকায় সংশ্লিষ্ট মহলে ইতিবাচক প্রত্যাশা দেখা দিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর আশাবাদ, এই উদ্যোগ দেশের উচ্চশিক্ষা খাতকে যুগোপযোগী, সমন্বিত এবং শিক্ষার্থীমুখী করে গড়ে তুলবে।

Link copied!