× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম

ফেব্রুয়ারির বেতন-উৎসব ভাতা যেদিন পাবেন শিক্ষকরা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ৭, ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম

শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ছবি- সংগৃহীত

শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ছবি- সংগৃহীত

এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন আগামী মঙ্গলবারের (১০ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে পেতে পারেন বলে জানা গেছে। আর উৎসব ভাতা ঈদের দুই থেকে তিন দিন আগে ব্যাংক অ্যাকান্টের মাধ্যমে দেওয়া হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি বিশ্বস্ত সূত্র রূপালী বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্রটি জানিয়েছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন হয়ে গেছে। ব্যাংকের কাজও প্রায় শেষ। মঙ্গলবারের (১০ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন পেয়ে যাবেন। তবে উৎসব ভাতা পেতে একটু সময় লাগবে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের উৎসব ভাতা ১০ শতাংশ বাড়িয়ে ৬০ শতাংশ করার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এ-সংক্রান্ত একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা খাতের উন্নয়নে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষা সেবার মান উন্নয়ন করা সরকারের দায়িত্ব। তবে গত সময়ে শিক্ষা খাতের উন্নয়নের পরিবর্তে অন্যান্য অবকাঠামো খাতে বেশি অর্থ ব্যয় হওয়ায় শিক্ষার বাজেট তুলনামূলকভাবে সংকুচিত হয়েছে। এর ফলে শিক্ষকদের জীবনযাত্রা ও সামাজিক অবস্থানে বৈষম্য তৈরি হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, শিক্ষা খাতে ব্যয় বাড়ানো হলে শিক্ষার মান উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষক-কর্মচারীদের জীবনমান উন্নত হবে এবং তারা আরও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। এজন্য সরকার শিক্ষা খাতে বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৬ লাখ। তারা বর্তমানে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পাচ্ছেন। শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে এই ভাতা ৬০ শতাংশে উন্নীত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

উৎসব ভাতা অতিরিক্ত ১০ শতাংশ বাড়ানো হলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে বছরে অতিরিক্ত ১৯০ কোটি টাকা এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে ৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা প্রয়োজন হবে। অর্থাৎ মোট অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ২৮৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!