বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের সকল পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ১২টি জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। রোববার (৮ মার্চ) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়, বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করা অত্যন্ত প্রয়োজন। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।
এ নির্দেশনার অংশ হিসেবে পবিত্র রমজান উপলক্ষে আগামী ৯ মার্চ থেকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক ক্যালেন্ডারে উল্লিখিত তারিখ অনুযায়ী সকল পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে যেসব নির্দেশনা মানতে বলা হয়েছে সেগুলো হলো:
১. দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
২. জানালা ও দরজা খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে।
৩. বিদ্যমান ব্যবহৃত আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে।
৪. প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট ব্যবহার পরিহার করতে হবে।
৫. অফিস চলাকালীন প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান ও এয়ার কন্ডিশনার বন্ধ রাখতে হবে।
৬. এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার উপরে রাখতে হবে।
৭. অফিস কক্ষ ত্যাগ করার সময় লাইট, ফ্যান ও এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে।
৮. করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে।
৯. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে।
১০. অফিস সময় শেষ হওয়ার পর লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।
১১. অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে।
১২. গাড়ির ব্যবহার সীমিত রাখা এবং জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সব বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।


