ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বেরোবি উপাচার্যের অভিনন্দন

বেরোবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য সন্তান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তাকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন উত্তরাঞ্চলের বিদ্যাপীঠ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক শুভেচ্ছা বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে দেশ নতুন প্রত্যাশা, নবজাগরণ ও সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছে।’

উপাচার্য তার শুভেচ্ছা বাণীতে আরও বলেন, ‘জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন হিসেবেই নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। আমি দৃঢ় আশাবাদী যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সুশাসনের ভিত্তি আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে উন্নয়ন ও মানবসম্পদ গঠনে শিক্ষা খাত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘উত্তরাঞ্চলের উচ্চশিক্ষার প্রাণকেন্দ্র বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর বর্তমান সরকারের সহযোগিতা ও প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বে একটি গবেষণাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে। আধুনিক ল্যাবরেটরি, উদ্ভাবনী গবেষণা, আন্তর্জাতিক একাডেমিক অংশীদারিত্ব এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয় কেবল উত্তরাঞ্চলের নয়, সমগ্র দেশের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ, মানবিক ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।’

উপাচার্য বলেন, ‘নতুন সরকারের সময়কালে জাতীয় ঐক্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও বৈষম্যহীন উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশ বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় আরও শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে। আমি বিশ্বাস করি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠন এবং টেকসই উন্নয়নের পথে দ্রুত এগিয়ে যাবে।’

প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ এবং জাতীয় সংসদের সকল সদস্যের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সফলতা কামনা করেন বেরোবি উপাচার্য। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন—নতুন সরকারের গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও মর্যাদার এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং উত্তরাঞ্চলের বিদ্যাপীঠ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সেই অগ্রযাত্রার অন্যতম আলোকবর্তিকা হয়ে উঠবে।