× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৯:১৯ পিএম

ঢাবিতে রাজাকারের ঘৃণাস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপ

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ০৯:১৯ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে রাজাকার ঘৃণাস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপ কর্মসূচি আয়োজন করেছেন  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) একদল শিক্ষার্থী। জুতা নিক্ষেপ করতে আসা লোকজন লক্ষ্যভেদ করলে তাদের পুরস্কার দিতে দেখা গেছে।

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ক্যাফেটেরিয়ার সামনে অবস্থিত ঘৃণাস্তম্ভে এ কর্মসূচি শুরু হয়। 

এ কর্মসূচিতে দেখা যায়, ঘৃণাস্তম্ভের পেছনের দেওয়ালে বেশ কিছু ছবি লাগানো হয়েছে। এতে যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুজাহিদের ছবি, চৌধুরী মঈনুদ্দীন, খাদিম হোসেন রাজা, পাকিস্তানী বাহিনীর সঙ্গে গোলাম আজমের বৈঠকের ছবি এবং মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে আটক রাজাকার বাহিনীর ছবি রয়েছে।

জুতা নিক্ষেপের পাশেই স্থাপন করা হয়েছে ‘নিঃশব্দ ঘৃণা’ নামে একটি বোর্ড, যেখানে অনেকে ঘৃণাসূচক বিভিন্ন বাক্য লিখেছেন।

শিক্ষার্থীরা লিখেছেন, ‘একাত্তরের রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’, ‘গণহত্যার সমর্থকরা কীভাবে রাজনীতি করে’, ‘রাজাকারের বাচ্চারা এ যুগের কুলাঙ্গার’, ‘রাজাকার ইতিহাসের সর্বোচ্চ নিকৃষ্ট ইতর প্রাণী’।

কর্মসূচির আয়োজক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘১৯৭১ সালে যারা এ দেশের বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করেছে, তাদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করতে আমরা আজ এ আয়োজন করেছি। পাকিস্তানি বাহিনী যে বর্বরতা করেছে, আমরা তা জাতির কাছে তুলে ধরতেই এ আয়োজন করি; যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভুলে না যায় পাকিস্তানিদের সেই কালো ইতিহাস।’

জুতা নিক্ষেপ করতে আসা একজন বলেন, ‘আমি চরম মাত্রায় ঘৃণা করি, যারা এ দেশের এই মূল্যবান সম্পদগুলোকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। আমি মনে করি না তারা মুসলমান; তারা পাখির মতো মানুষ মারছে।’

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাতে ছাত্র ইউনিয়নের কলা ভবন শাখার সভাপতি সাদিকুর রহমান ও তৎকালীন উর্দু ও ফারসি বিভাগের ছাত্র আবু তৈয়ব হাবিলদার স্তম্ভটি নির্মাণ করেন। পরদিন ১৬ ডিসেম্বর এ কে খন্দকারের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের কয়েকজন সেক্টর কমান্ডার স্তম্ভটি উদ্বোধন করেন। ২০০৮ সালে স্তম্ভটি ভেঙে ফেলা হলে পরে তা পুনর্নির্মাণ করা হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!