বন্যা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ বিরতির পর আজ (২৭ জুলাই) থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের স্থগিত পরীক্ষাগুলো পুনরায় শুরু হচ্ছে। আজ থেকে পরীক্ষার্থীরা পূর্বনির্ধারিত কার্যকর রুটিন অনুযায়ী অবশিষ্ট পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
আজ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় অনুষ্ঠিত হবে ইসলামের ইতিহাস, পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র (তত্ত্বীয়) এবং তাজভিদ দ্বিতীয় পত্র (মুজাব্বিদ মাহির বিভাগ)। একই দিনে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষার্থীরা হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট-১ বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নেবেন।
উল্লেখ্য, বন্যার কারণে সৃষ্ট দুর্ভোগ, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি, যোগাযোগ ব্যবস্থার বিঘ্ন এবং পরীক্ষার্থীদের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে গত ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের অবশিষ্ট সব পরীক্ষা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছিল। একই সিদ্ধান্তের আওতায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি (বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও ডিপ্লোমা ইন কমার্সের বাকি পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়।
পরবর্তীতে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের ভিত্তিতে গত ২৩ জুলাই শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ঘোষণা দেন যে, ২৭ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত পরীক্ষাগুলো পুনরায় শুরু হবে। তবে স্থগিতাদেশের আগে যেসব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, সেগুলোর জন্য পরে নতুন সময়সূচি প্রকাশ করা হবে।
এর আগে গত ৮ জুলাই থেকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা বন্ধ ছিল। যদিও এই সময়ে দেশের অন্য সব শিক্ষা বোর্ডে পূর্বঘোষিত সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবে চলেছে।
চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন পরীক্ষার্থী রয়েছেন ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন, যারা ১১৪টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। সারা দেশে এ পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত হয়েছে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষা কেন্দ্র।


