রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প অবলম্বনে তৈরি ‘শাস্তি’ সিনেমা ঘিরে আলোচনা চলছে। কারণ এতে যুক্ত হয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী ও পরীমণি। চলচ্চিত্রটি নিয়ে রাজধানীর একটি পাঁচতারকা হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কথা বলতে গিয়ে পরীমণি স্পষ্টভাবেই জানালেন, এই কাজটি করতে রাজি হওয়ার পেছনে অন্যতম কারণ ছিল নারী পরিচালক।
পরীমণি জানান, তিনি শুরু থেকেই এই প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে স্বস্তি অনুভব করছেন। স্ক্রিপ্টের প্রতিটি ধাপ, চরিত্রের ছোট ছোট পরিবর্তন, গল্পের পলিশ—সবকিছুর সঙ্গেই তিনি ছিলেন শুরু থেকেই। কাজের ক্ষেত্রে চরিত্রই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেখানে নায়ক-নায়িকা বা গ্ল্যামারের চেয়ে গল্প ও চরিত্রের গভীরতাই মুখ্য।
পরীমণি বলেন, ‘এখন আর শুধু লেহেঙ্গা পরে নাচানাচি করলেই হয় না। দিনশেষে আমরা এমন কাজ চাই, যেটা বেঁচে থাকার মতো, যেখানে চরিত্রটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যখন চরিত্রকে ফোকাস করা হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই নারীকেন্দ্রিক বিষয় চলে আসে; কারণ আমি একজন নারী।’
এতেই উঠে আসে পরিচালক প্রসঙ্গ।
পরীমণি জানান, এই সিনেমার পরিচালক একজন নারী হওয়ায় তিনি কাজটি নিয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়েছেন। তার ভাষায়, নারী পরিচালকের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ভিন্ন এবং তুলনামূলকভাবে এমন সুযোগ এখনো খুব কম।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্পে কাজ করার আকাঙ্ক্ষার কথাও তুলে ধরেন পরীমণি। ‘আমি খুব অবাক হচ্ছিলাম যে, এতদিন রবীন্দ্রনাথের গল্পে কাজ করিনি। সাংবাদিক ভাইয়েরা অনেকবার আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন, কোন চরিত্রটা করতে চাই। আমি সব সময়ই বলেছি, রবীন্দ্রনাথের কোনো একটা সুন্দর চরিত্র করতে চাই।’
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ অবলম্বনে নির্মিত একই নামের সিনেমায় পরী অভিনয় করবেন চঞ্চল চৌধুরীর বিপরীতে। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন লীসা গাজী। চলতি বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে শুটিং শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে।


