× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১, ২০২৬, ০৭:১৭ পিএম

পাচিং পদ্ধতিতে ধান চাষে সফল কৃষকরা

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১, ২০২৬, ০৭:১৭ পিএম

ফসলি জমি। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ফসলি জমি। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রাজশাহীর তানোরে ধানের জমিতে ক্ষতিকর পোকা দমনে প্রাকৃতিক পাচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে সুফল পাচ্ছেন কৃষকরা। বাংলাদেশের প্রধান ফসল ধান। এ দেশের মানুষকে কৃষির ওপর নির্ভর করে চলতে হয়। কৃষক বছরে তিনবার ধান রোপণ করেন।

ধান উৎপাদনের প্রধান অন্তরায় হিসেবে ধরা হয় পোকামাকড়ের আক্রমণ। ধানক্ষেতে পোকা দমনের জন্য কৃষকরা ব্যাপক হারে কীটনাশক ব্যবহার করেন। এতে পোকামাকড়ের পাশাপাশি পানি, মাটি ও বাতাস দূষিত হয়ে পড়ে। এমনকি কৃষকদেরও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকতে হয়। তবে বর্তমানে কৃষিতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়তে শুরু করেছে।

তানোর উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের কালনা মাঠ ও চাঁন্দুড়িয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন জমিতে ধানক্ষেতে পোকার আক্রমণ রোধে পাচিং পদ্ধতিতে ধৈঞ্চা গাছ লাগানো হয়েছে। বর্তমানে মাঠে ধানের অবস্থা অত্যন্ত ভালো।

এ প্রযুক্তির প্রয়োগে ধানক্ষেতে পোকা ও রোগবালাই দমনে তেমন কীটনাশক ব্যবহারের প্রয়োজন পড়ছে না। ফলে পরিবেশ ও স্বাস্থ্য ভালো থাকছে, উৎপাদন খরচ কমছে এবং কৃষকরা নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত ফসল উৎপাদন করতে পারছেন।

কালনা গ্রামের কৃষক মামুন, মফিজ ও জামাল জানান, ধানের অবস্থা খুব ভালো। এবার তারা বোরো ধান রোপণ করেছেন এবং জমিতে পাচিং পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন। ফলে পোকার আক্রমণ নেই বললেই চলে।

আমন মৌসুমেও এ পদ্ধতি ব্যবহার করে তারা সুফল পেয়েছেন। কৃষি অফিসের পরামর্শ অনুযায়ী চাষাবাদ করায় আর্থিকভাবে লাভবান হবেন বলে আশা প্রকাশ করছেন কৃষকরা।

কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, কৃষি বিভাগের নতুন নতুন প্রযুক্তি কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

তানোর উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আলী হোসেন রেজা জানান, বর্তমানে ধান রোপণ করা প্রায় শতভাগ জমিতে পাচিং পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। ধৈঞ্চা গাছে পোকাখেকো পাখি বসায় ধানক্ষেতে কীটনাশকের ব্যবহার কমছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হচ্ছে। এতে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ বলেন, উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিকভাবে এসব প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ফসলের নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগে নিবিড় প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, এবার বোরো ধানের ফলন অত্যন্ত ভালো হবে এবং কৃষকরা লাভবান হবেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!