সোসাইটি ফর দি এনভায়রনমেন্ট মুভমেন্টের চেয়ারম্যান ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুল লতিফ জনি বলেছেন, দেশের পরিবেশ নানা সমস্যায় জর্জরিত। পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারকে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি, কোন কোন বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, সেগুলোও তিনি তুলে ধরেন।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে সোসাইটি ফর দি এনভায়রনমেন্ট মুভমেন্ট আয়োজিত ‘পরিবেশ রক্ষায় করণীয়’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ১৭টি বিষয় তুলে ধরেন।
লিখিত বক্তব্যে আবদুল লতিফ জনি বলেন, গত ১৭ বছর ধরে সারা বাংলাদেশে লুটপাট ও দখলের রাজত্ব কায়েম করে পাহাড় ও বনভূমি ধ্বংস করা হয়েছে এবং নদীগুলো ভরাট করে নদীমাতৃক বাংলাদেশের হাজার বছরের বহমান নদীগুলো নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আজ বাংলাদেশের পরিবেশে ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হয়েছে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদির প্রাদুর্ভাবে দেশের মানুষ প্রতিনিয়ত অপূরণীয় ক্ষতির শিকার হচ্ছে।
নদী ভরাটকারী, পাহাড় ধ্বংসকারী, বন উজাড়কারী এবং ইটের ভাটা স্থাপন করে পরিবেশ দূষণকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে, সেই দিন বেশি দূরে নয় যখন বাংলাদেশের উর্বর ফসলি ক্ষেত, ঐতিহ্যবাহী মৎস্য প্রজনন স্থান এবং বনে বসবাসকারী প্রাণীসম্পদ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। তাই সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেতা তারেক রহমান (সম্মানিত চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি) এবং সরকারের মাননীয় নৌপরিবহন মন্ত্রী, পানিসম্পদ মন্ত্রী এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। উল্লেখিত বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে নদীমাতৃক বাংলাদেশের হাজার বছরের ঐতিহ্য রক্ষার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন