× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ফিচার

প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২৬, ০১:২৬ এএম

এতো জায়গায় সিভি পাঠাচ্ছেন, ইন্টারভিউতে ডাক আসছে না—কারণ কী?

রূপালী ফিচার

প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২৬, ০১:২৬ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

একের পর এক সিভি জমা দিচ্ছেন, কিন্তু সাক্ষাৎকার বা নিয়োগ পরীক্ষায় ডাক পাচ্ছেন না। কেন ডাক পাচ্ছেন না—এই ভেবে হয়রান অনেকেই। হয়তো সিভিতে থাকা সামান্য কিছু ভুলের কারণেই সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছে আপনার।

একটি স্মার্ট সিভি কীভাবে তৈরি করলে সাক্ষাৎকারের জন্য ডাক পাবেন, এই প্রতিবেদনে সেই সমস্যাগুলো শনাক্ত ও সমাধানের উপায় তুলে ধরা  হলো।

১) কাঠামোগত ত্রুটি

অনেক চাকরিপ্রার্থী এমন একটি সিভি তৈরি করেন, যাতে প্রাসঙ্গিক তথ্য যথাযথভাবে উপস্থাপন করেন না। সিভির উদ্দেশ্য হলো নিয়োগকর্তাকে প্রাথমিকভাবে আপনার যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানানো। কিন্তু যদি সিভিটি এলোমেলো বা অপ্রাসঙ্গিক তথ্যে ভরা থাকে, তাহলে সেটি অগ্রাহ্য হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

২) চাকরির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সিভি না সাজানো

অনেকেই সব চাকরির জন্য একই সিভি পাঠিয়ে দেন। কিন্তু প্রতিটি চাকরির ধরন ও প্রয়োজন ভিন্ন। তাই সিভিও হওয়া উচিত নির্দিষ্ট পদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। পদের বিবরণ (জব ডেসক্রিপশন) ভালোভাবে পড়ুন। সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞতা ও দক্ষতাগুলোই সিভিতে গুরুত্ব দিয়ে উপস্থাপন করুন।

৩) ভুল বা অতিরঞ্জিত তথ্য

অনেক সময় চাকরি পাওয়ার আশায় প্রার্থীরা সিভিতে অতিরঞ্জিত বা ভুয়া তথ্য যোগ করেন, যা পরবর্তী ধাপে যাচাইয়ের সময় ধরা পড়ে। এতে ভবিষ্যতে প্রার্থীর প্রতি আস্থা নষ্ট হয়। আপনি যা পারেন এবং যেটুকু করেছেন, সেটুকুই লিখুন। বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অর্জনগুলো সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরুন। পড়াশোনা বা চাকরিতে কোনো বিরতি থাকলে সেটিও সিভিতে উল্লেখ করুন।

৪) সঠিক চ্যানেলের মাধ্যমে সিভি না পাঠানো

অনেক প্রার্থী ই-মেইলে সিভি পাঠান, কিন্তু ই-মেইলের বিষয় (Subject) ঠিকভাবে লেখেন না কিংবা নির্ধারিত ফাইল ফরম্যাট অনুসরণ করেন না। ফলে সিভি অনেক সময় পড়া হয় না বা হারিয়ে যায়। যেখানে অনলাইনে আবেদন করতে বলা হয়েছে, সেখানে নির্ধারিত ওয়েবসাইট বা ফরমের মাধ্যমেই আবেদন করুন। ই-মেইলে পাঠালে Subject অংশে পদের নাম উল্লেখ করুন। ফাইলের নামকরণের ক্ষেত্রে Name_Position_CV.pdf–এর মতো পেশাদার ফরম্যাট অনুসরণ করুন।

৫) কভার লেটার না দেওয়া বা দুর্বল কভার লেটার

অনেকে সিভির সঙ্গে কভার লেটার দেন না, অথবা দিলেও সেটি খুবই সাধারণ মানের হয়। মনে হয়, শুধু দেওয়ার জন্যই দেওয়া হয়েছে। অথচ কভার লেটার হলো প্রার্থীর আত্মপ্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। চাকরিটির জন্য কেন আপনি উপযুক্ত, তা এক পৃষ্ঠায় তুলে ধরার জন্য এটি কার্যকর মাধ্যম। 

৬) অপ্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরা

সিভিতে সব ধরনের কাজের অভিজ্ঞতা যুক্ত করলে চাকরিদাতার জন্য মূল যোগ্যতা খুঁজে বের করা কঠিন হয়ে যায়। কেবল সেই অভিজ্ঞতাগুলোই উল্লেখ করুন, যা পদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।

৭) যোগাযোগের তথ্য ভুল বা অসম্পূর্ণ

অনেক সময় দেখা যায়, সিভিতে দেওয়া মুঠোফোন নম্বর বা ই-মেইল ঠিকানায় ভুল থাকে। আবার অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সময়মতো সাড়া পাওয়া যায় না। সব সময় হালনাগাদ মুঠোফোন নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে দুটি মুঠোফোন নম্বর দিন। [email protected]–এর মতো অপেশাদার ই-মেইল ঠিকানা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

৮) দুর্বল অনলাইন প্রোফাইল

বর্তমানে অনেক নিয়োগকর্তা প্রার্থীর লিংকডইন প্রোফাইল বা ফেসবুক ঘেঁটে দেখেন। সেখানে যদি নেতিবাচক কিছু থাকে বা সিভির সঙ্গে সাংঘর্ষিক তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে তা আপনার জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে। সিভিতে এক নাম এবং লিংকডইন বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিন্ন নাম ব্যবহার না করাই ভালো। একটি পেশাদার লিংকডইন প্রোফাইল তৈরি করুন। সেখানে আপনার অভিজ্ঞতা, শিক্ষা ও দক্ষতাগুলো তুলে ধরুন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শালীনতা বজায় রাখুন।

৯) বানান, ব্যাকরণ ও ছবির ভুল

সিভি বা কভার লেটারে বানান বা ব্যাকরণগত ভুল নিয়োগকর্তার মনে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করে। তাই যেকোনো প্রতিষ্ঠানে পাঠানোর আগে সিভি একাধিকবার প্রুফরিড করুন। প্রয়োজনে Grammarly-এর মতো ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন। অপ্রাসঙ্গিক ছবি, সেলফি বা অনানুষ্ঠানিক ছবি ব্যবহার করলে তা নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ ক্ষেত্রে পাসপোর্ট সাইজের একটি ফরমাল ছবি ব্যবহার করুন।

আরবি/এসএন

Link copied!