শনিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২৫

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৯, ২০২৫, ০১:১৫ পিএম

সঙ্গীর বিভিন্ন কাজে ধন্যবাদ দিলে যা হয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৯, ২০২৫, ০১:১৫ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

সম্পর্ক টিকে থাকে বড় চমক বা বিশেষ আয়োজনের ওপর নয়—বরং প্রতিদিনের ক্ষুদ্র যত্ন, ভদ্রতা আর কৃতজ্ঞতার অভ্যাসই আসলে সম্পর্ককে নরম আর নিরাপদ করে তোলে। সেই ছোট্ট শব্দ—‘ধন্যবাদ’—দাম্পত্যে এক ধরনের উষ্ণতা এনে দেয়, যা অনেকেই গুরুত্ব দেন না।

মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, সম্পর্কে সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো—নিজের গুরুত্ব পাচ্ছি কি না। সঙ্গীর কাছ থেকে একটি স্বীকৃতিশব্দ শোনা মাত্র মস্তিষ্কে অক্সিটোসিন ও ডোপামিন কাজ করে, যা ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় এবং মানসিক নিরাপত্তা তৈরি করে। অর্থাৎ, সামান্য কৃতজ্ঞতা দু’জন মানুষের মাঝে দূরত্ব কমিয়ে যোগাযোগকে আরও গভীর করে।

আমাদের সমাজে রুটিনের কাজগুলোকে ‘স্বাভাবিক’ ধরে নেওয়ার প্রবণতা আছে—রান্না করা, বাজার করা, অফিসের কাজ সামলে ঘর দেখা—সবই যেন দায়িত্বের অংশ। কিন্তু ঠিক এখানেই একটি ছোট ধন্যবাদ জাদুর মতো কাজ করে। এটি শুধু স্বীকৃতি নয়, বরং সম্পর্কের প্রতি সম্মান ও সচেতনতার ভাষা।

ছোট একটি ধন্যবাদ-বড় পাঁচ পরিবর্তন

ভুল বোঝাবুঝি দ্রুত কমে: কেউ যখন নিজেকে মূল্যবান মনে করেন, তখন মন নরম থাকে। তাই ছোটখাটো রাগ বা অভিমানও সহজে গলে যায়।

মানসিক চাপ কম অনুভূত হয়: ব্যস্ত দিনে কয়েক সেকেন্ডের কৃতজ্ঞতা পুরো মুডই পাল্টে দিতে পারে।

আবেগের যোগসূত্র শক্ত হয়: ধন্যবাদ সম্পর্কের ভেতর নিরাপত্তা বাড়ায়। দুজনেই বুঝতে পারেন—‘আমি গুরুত্বপূর্ণ।’

নেতিবাচকতা কমে, ইতিবাচকতা বাড়ে: কৃতজ্ঞতার জায়গায় অভিযোগ জমে থাকতে পারে না।

ঘরের কাজ ‘দায়িত্ব’ নয়, ‘দু’জনের টিমওয়ার্ক’ হয়ে যায়: সহযোগিতা বাড়ে, এবং কাজগুলো স্বাভাবিকভাবেই সহজ লাগে।
 

Link copied!