× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২৬, ০৩:০০ পিএম

ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধে কার্যকর খাদ্যাভ্যাস

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২, ২০২৬, ০৩:০০ পিএম

ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধে কার্যকর খাদ্যাভ্যাস। ছবি : সংগৃহীত

ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধে কার্যকর খাদ্যাভ্যাস। ছবি : সংগৃহীত

ফ্যাটি লিভার বর্তমানে একটি সাধারণ কিন্তু উদ্বেগজনক স্বাস্থ্য সমস্যা। লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়া দীর্ঘমেয়াদে লিভার সিরোসিসের মতো জটিলতা তৈরি করতে পারে। তবে আশার কথা হলো, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের মাধ্যমে এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। লিভারে চর্বি জমার মূল কারণ হলো অতিরিক্ত শর্করা, প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং অস্বাস্থ্যকর ফ্যাট।

এই ঝুঁকি কমাতে আমাদের এমন খাবার নির্বাচন করতে হবে, যা লিভারের প্রদাহ কমায় এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স উন্নত করে।

১. ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ চর্বিযুক্ত মাছ
সামুদ্রিক মাছ (যেমনইলিশ, টুনা, সার্ডিন) ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের চমৎকার উৎস। এটি লিভারের চর্বি কমাতে এবং প্রদাহ দূর করতে সাহায্য করে।

২. সবুজ শাকসবজি ও ব্রকলি
শাকসবজি, বিশেষ করে পালংশাক এবং ব্রকলি লিভারে চর্বি জমতে বাধা দেয়। ব্রকলিতে থাকা বিশেষ উপাদান লিভারকে ডিটক্স করতে সাহায্য করে।

৩. কফি (চিনি ছাড়া)
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ব্ল্যাক কফি পান করলে লিভারের এনজাইমগুলো নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং এটি লিভারের ক্ষত (ফাইব্রোসিস) প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

৪. গোটা শস্য বা হোল গ্রেইন
সাদা চাল বা আটার বদলে লাল চাল, লাল আটা বা ওটস গ্রহণ করা উচিত। এতে থাকা প্রচুর ফাইবার রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখে, যা লিভারের স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি।

৫. অলিভ অয়েল ও বাদাম
অলিভ অয়েল : এতে থাকা অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড লিভারের এনজাইমের মাত্রা উন্নত করে।

আখরোট ও কাঠবাদাম : এগুলোতে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ওমেগা-৩ থাকে যা লিভারকে সুস্থ রাখে।

৬. গ্রিন টি
গ্রিন টি-তে থাকা ‘ক্যাটেকিন’ নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয় এবং লিভারের চর্বি কমাতে সাহায্য করে।

কেন ক্ষতিকর?
অতিরিক্ত চিনি :
চিনি সরাসরি লিভারে চর্বি হিসেবে জমা হয়।

ভাজা পোড়া খাবার : এতে ট্রান্স ফ্যাট থাকে যা লিভারের প্রদাহ বাড়ায়।

লবণ : অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীরে পানি জমায় এবং লিভারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।

প্রসেসড ফুড : “চিপস, প্যাকেটজাত নাস্তা বা কোল্ড ড্রিংকস লিভারের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।”

জীবনযাত্রায় কিছু জরুরি পরিবর্তন
ওজন নিয়ন্ত্রণ : শরীরের মোট ওজনের ৫%-১০% কমাতে পারলে লিভারের চর্বি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।

শারীরিক পরিশ্রম : প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা বা ব্যায়াম করা।

পর্যাপ্ত পানি পান : শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে হবে।

আপনার যদি আগে থেকেই লিভারের কোনো সমস্যা থেকে থাকে, তবে যেকোনো ডায়েট শুরু করার আগে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!