× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

ডা. তমা রানী পাল

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ১১:৫৯ এএম

‘আসুন, গর্ভকালীন যত্ন নিয়ে স্বাভাবিক প্রসবকে উৎসাহিত করি’

ডা. তমা রানী পাল

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫, ১১:৫৯ এএম

ডা. তমা রানী পাল। ছবি- সংগৃহীত

ডা. তমা রানী পাল। ছবি- সংগৃহীত

একটি সুস্থ ও নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে গর্ভকালীন যত্ন বা অ্যান্টিনেটাল কেয়ার (এএনসি) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। নিয়মিত ও পরিকল্পিত গর্ভকালীন পরিচর্যা মা ও অনাগত শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাশাপাশি স্বাভাবিক প্রসবের সম্ভাবনাও উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভাবস্থায় অন্তত আটবার চিকিৎসক বা প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীর কাছে এএনসি ভিজিট করা প্রয়োজন। এসব ভিজিটের মাধ্যমে মায়ের রক্তচাপ, রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করে সম্ভাব্য জটিলতা আগেভাগেই শনাক্ত করা সম্ভব হয়। একই সঙ্গে নিয়মিত ফলোআপ গর্ভবতী নারীকে মানসিক ও শারীরিকভাবে স্বাভাবিক প্রসবের জন্য প্রস্তুত করে।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, স্বাভাবিক প্রসবের উপকারিতা সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকা জরুরি। স্বাভাবিক প্রসবে ঝুঁকি তুলনামূলক কম, খরচ কম হয় এবং প্রসবের পর মা ও শিশু দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে গর্ভধারণের ক্ষেত্রে জটিলতার আশঙ্কাও কম থাকে। চিকিৎসাগত বিশেষ প্রয়োজন না থাকলে স্বাভাবিক প্রসবকেই প্রথম পছন্দ হিসেবে বিবেচনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

গর্ভাবস্থায় একটি সুপরিকল্পিত জন্ম পরিকল্পনা বা বার্থ প্ল্যান তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। গর্ভকালীন সময়েই চিকিৎসক ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে এই পরিকল্পনা করা উচিত, যেখানে স্বাভাবিক প্রসবকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং শুধুমাত্র প্রয়োজন হলে সিজারিয়ান অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এক্ষেত্রে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বামী, শাশুড়ি ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সচেতন হলে গর্ভবতী নারী মানসিকভাবে আরও দৃঢ় ও আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সব ক্ষেত্রে সিজারিয়ান প্রয়োজন—এই ভুল ধারণা দূর করা জরুরি।

পাশাপাশি কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। কমিউনিটি ক্লিনিক, পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ও গণমাধ্যমের মাধ্যমে নিয়মিত প্রচার, বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরা এবং তথ্যভিত্তিক ভিডিও প্রদর্শনের মাধ্যমে স্বাভাবিক প্রসব ও গর্ভকালীন যত্নের গুরুত্ব সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।

Link copied!