× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম

দ্বিতীয় বিয়েতে অনুমতি লাগবে না স্ত্রীর : হাইকোর্ট

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৩:৪৬ পিএম

হাইকোর্ট ভবন। ছবি- সংগৃহীত

হাইকোর্ট ভবন। ছবি- সংগৃহীত

মুসলিম আইন অনুযায়ী পুরুষের জন্য দ্বিতীয় বিয়ে জায়েজ থাকলেও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তা ছিল অপরাধ ও নৈতিকতার লঙ্ঘন। কিন্তু সম্প্রতি হাইকোর্টের এক রায়ে পাল্টে যেতে পারে বহুদিন ধরে চলা এই রীতি।

এবার স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারবেন পুরুষরা। কী, অবাক হচ্ছেন! অবাক হলেও এমনটাই সত্যি। এমনই এক রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মুসলিম পারিবারিক আইন সংশ্লিষ্ট একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বলেন, দ্বিতীয় বিয়ের ক্ষেত্রে স্ত্রীর অনুমতি নয় বরং আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির ভিত্তিতেই বিষয়টি নিষ্পন্ন হবে।

এতদিন প্রচলিত ছিল, স্ত্রী বা প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে না। তবে আদালত বলেন, এ বিষয়ে মুসলিম পারিবারিক আইনে সরাসরি এমন বাধ্যবাধকতার কোনো অস্তিত্ব নেই।

২৪ পাতার পূর্ণাঙ্গ রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতির বিষয়টি আরবিট্রেশন কাউন্সিলে ন্যস্ত থাকায় স্ত্রীর অনুমতি বাধ্যতামূলক নয়।

১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারায় স্ত্রী বা স্বামী অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল। পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন চালুর মাধ্যমে নারীর ক্ষেত্রে ওই সাজা বহাল থাকলেও পুরুষের দ্বিতীয় বিয়ে ঠেলে দেওয়া হয় আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতির ওপর। সে ক্ষেত্রে অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে এক বছর কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়।

তবে এ রায়ের বিরুদ্ধে রিটকারীরা আপিলের ঘোষণা দিয়েছেন। তারা বলছেন, আদালতের সিদ্ধান্তে বহু বিবাহের ক্ষেত্রে নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ দুর্বল হতে পারে। তাদের দাবি, নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে সমান অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই রিট করা হয়েছিল।

সমাজ বিজ্ঞানীদের মতে, আর্থিক সক্ষমতা ও মনস্তাত্ত্বিক প্রলোভন থেকে বহু পুরুষ একাধিক বিয়ের সুযোগ অপব্যবহার করার ঝুঁকি থাকে। ফলে সমাজে অসাম্য ও পারিবারিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। তাই বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতে নিষ্পত্তির প্রয়োজনীয়তার কথা জানান তারা।

এদিকে বিষয়টি এখন আপিল বিভাগে গেলে তা নজরকাড়া আলোচনার জন্ম দেবে বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

Link copied!