× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০১:৪১ পিএম

রিজেন্টের সাহেদ আবারও গ্রেপ্তার

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০১:৪১ পিএম

মোহাম্মদ সাহেদ। ছবি : সংগৃহীত

মোহাম্মদ সাহেদ। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ সাহেদকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। 

সোমবার (২০ জুলাই) পল্লবী থানায় দায়ের করা একটি ওয়ারেন্টভুক্ত মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, পল্লবী থানার একটি মামলায় মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট থাকায় ইসিবি চত্বর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্ত করা হয়।

উল্লেখ্য, করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালে রিজেন্ট হাসপাতালের মাধ্যমে ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় আসেন রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম। ২০২০ সালের ৭ জুলাই র‌্যাব উত্তরায় রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট জব্দ করে। এ ঘটনায় সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা হয়। এরপর ১৫ জুলাই সাতক্ষীরা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারের পর তাকে নিয়ে চালানো অভিযানে অস্ত্র উদ্ধারের দাবি করে র‌্যাব। এ ঘটনায় অস্ত্র আইনেও পৃথক মামলা হয়। ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ওই মামলায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পরে হাইকোর্ট আপিলে তাকে খালাস দিলেও আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত সেই রায় স্থগিত করেন। ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর অস্ত্র মামলায় আপিল বিভাগ থেকে জামিন পাওয়ার পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

সাহেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে ৩৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে প্রতারণা, জালিয়াতি, অস্ত্র এবং মানি লন্ডারিংয়ের মামলাও রয়েছে। সিআইডির তদন্ত অনুযায়ী, বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার মাধ্যমে তিনি ১১ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করেন। এর মধ্যে করোনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া সনদ দিয়ে ৩ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার ২২৭ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সব মামলায় তিনি জামিনে ছিলেন তিনি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!