× UCB Sticker Card
সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১১:৪৩ এএম

ফ্লাইট এক্সপার্টের বিরুদ্ধে ৩৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিংয়ের মামলা

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১১:৪৩ এএম

ছবি : সংগৃহীত

ছবি : সংগৃহীত

অনলাইনভিত্তিক ট্রাভেল সেবা প্রতিষ্ঠান ফ্লাইট এক্সপার্ট (এফইবিডি)-এর বিরুদ্ধে গ্রাহক ও সাব-এজেন্টদের কাছ থেকে বিমান টিকিটের অগ্রিম অর্থ নিয়ে টিকিট সরবরাহ না করার অভিযোগে প্রায় ৩৪ কোটি ৬৯ লাখ ৩১ হাজার ৯০ টাকা আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিংয়ের মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খানের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর মতিঝিল থানায় গত শনিবার সাতজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন: ফ্লাইট এক্সপার্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম, প্রেসিডেন্ট এম এ রশিদ শাহ সম্রাট, পরিচালক আমির হামজা রশিদ শাহ নায়েম, এ কে এম শাহদাত হোসেন ও আব্দুল গণি মেহেদী, হেড অব ফাইন্যান্স মো. সাকীব হোসেন এবং সোমা ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিসেসের স্বত্বাধিকারী মোতাহের হোসেন।

সিআইডির তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ সালে অনলাইনে বিমানের টিকিট বিক্রির মাধ্যমে যাত্রা শুরু করে ফ্লাইট এক্সপার্ট। পরে হোটেল বুকিং, হজ ও ওমরাহ প্যাকেজসহ বিভিন্ন ধরনের ভ্রমণসেবা চালু করে প্রতিষ্ঠানটি। ২০১৯ সালে এফইবিডি নামে নিবন্ধিত হলেও তারা ফ্লাইট এক্সপার্ট ও এফইবিডি উভয় নামেই ব্যবসা পরিচালনা এবং ব্যাংকিং লেনদেন করে আসছিল।

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়িক অংশীদার (বি-টু-বি) এবং সাধারণ গ্রাহক (বি-টু-সি) উভয় পর্যায়ে টিকিট বিক্রি করত। আকর্ষণীয় মূল্যছাড়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় বিপুল পরিমাণ অগ্রিম অর্থ সংগ্রহ করা হলেও অনেক গ্রাহক ও সাব-এজেন্টকে প্রতিশ্রুত টিকিট দেওয়া হয়নি। এদিকে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালমান বিন রশিদ শাহ সায়েম গত বছরের ১ আগস্ট দেশ ছেড়ে যান।

সিআইডির অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, এফইবিডির বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে জমা হওয়া অর্থ পরে ফ্লাইট এক্সপার্টের অন্য হিসাবগুলোতে স্থানান্তর করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তর, উত্তোলন এবং রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থের প্রকৃত উৎস ও মালিকানা গোপনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে প্রমাণ মিলেছে।

এছাড়া ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেশত্যাগের পরও প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন পরিচালক ও হেড অব ফাইন্যান্স বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব থেকে বড় অঙ্কের অর্থ উত্তোলন ও স্থানান্তর করেছেন। তদন্তে এসব লেনদেনের মাধ্যমে প্রতারণার অর্থ আত্মসাতের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

সিআইডির অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, ফ্লাইট এক্সপার্ট আইএটিএ অনুমোদিত বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করলেও অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকদের কাছ থেকে পুরো অর্থ নেওয়ার পরও টিকিট সরবরাহ করা হয়নি। কিছু ঘটনায় একই টিকিটের বিপরীতে একাধিক উৎস থেকে অর্থ গ্রহণের অভিযোগও পাওয়া গেছে।

প্রাথমিক তদন্তে প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ৩৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ এবং পরে বিভিন্ন ব্যাংকিং লেনদেনের মাধ্যমে সেই অর্থ স্থানান্তর ও রূপান্তর করে মানিলন্ডারিংয়ের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সিআইডি। সংস্থাটি জানিয়েছে, মামলার তদন্ত তাদের তত্ত্বাবধানেই চলবে এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য তদন্ত কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!