দাড়ি কামানোর পরেই দুইগালে র্যাশ বের হয়। তাই ইচ্ছে থাকলেও ক্লিন শেভ করতে পারেন না। এই সমস্যা শুধু যে ছেলেদের পোহাতে হয়, তা নয়। মেয়েরাও ভুগতে পারে একই সমস্যায়। ফেস ওয়াক্সিং করানোর পরেই ত্বকে র্যাশ বেরিয়ে যায়। এই সমস্যাকে চিকিৎসার ভাষায় ‘সিউডোফলিকিউলাইটিস বার্বি’- সহজ কথায় রেজার বাম্পস বলে। ত্বকের যে অংশেই রেজার টানবেন, সেখানেই রেজার বাম্পস হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ওই র্যাশ সহজে যেতে চায় না। তবে দাড়ি কামানো বা লোম তোলার আগে ও পরে কিছু নিয়ম মানলে রেজার বাম্পসে আর ভুগতে হবে না।
রেজারের মান
ভালো মানের রেজার ব্যবহার করুন। একই রেজার বার বার ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজনে দাড়ি কামানোর সময়ে প্রতিবার ব্লেড পরিবর্তন করুন। মহিলারা যে ফেশিয়াল রেজার ব্যবহার করেন, তা-ও প্রতিবার পরিষ্কার করা জরুরি। এ ছাড়া গালে রেজার টানার আগে তা ভালো করে ধুয়ে নিন।
রেজার ব্যবহারের সময়ে খেয়াল রাখুন
মুখে রেজার টানার আগে ত্বক ভালো করে ধুয়ে নিন। প্রয়োজনে ত্বক এক্সফোলিয়েট করে নিতে পারেন। এতে দাড়ি বা লোম নরম হয়ে যায় এবং জমা ময়লা পরিষ্কার হয়ে যায়। ত্বকে যদি ব্রণ বা র্যাশ থাকে, তার ওপর ভুলেও রেজার টানবেন না। এতে ত্বকের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে উঠতে পারে। রেজার সব সময়ে দাড়ির অভিমুখে টানবেন। এতে গাল কেটে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা জরুরি
রেজার ব্যবহারের পরে ত্বকে অ্যালোভেরা জেল মাখতে পারেন। অ্যালোভেরা জেল ত্বকে কুলিং এফেক্ট এনে দেয়। পাশাপাশি ত্বকের প্রদাহ কমায় এবং ক্ষত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। অ্যালোভেরা জেল ছাড়াও ত্বকে গ্লাইকোলিক বা স্যালিসিলিক অ্যাসিড-যুক্ত ময়েশ্চারাইজার মাখতে পারেন।
কাজে আসতে পারে টি ট্রি অয়েল
রেজার বাম্পসের সমস্যা এড়াতে টি ট্রি অয়েলের সাহায্য নিতে পারেন। দাড়ি কামানোর পরে বা লোম তোলার পরে ত্বকে ভালো করে ধুয়ে নিন। তার পরে ১ কাপ পানির সঙ্গে ২-১ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে নিন। টি ট্রি অয়েলের মধ্যে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে, যা ত্বকের সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে।

