× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ১১:০৬ এএম

হাদির নারায়ে তাকবির স্লোগানের জন্য পরিবারকে হুমকি দেওয়া হতো

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫, ১১:০৬ এএম

শহীদ ওসমান হাদির বড় ভাই শরিফ ওমর বিন হাদি। ছবি : সংগৃহীত

শহীদ ওসমান হাদির বড় ভাই শরিফ ওমর বিন হাদি। ছবি : সংগৃহীত

শহীদ ওসমান হাদির পরিবার দীর্ঘদিন ধরে হুমকির মুখে ছিল। হাদির দেওয়া ‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগানের জন্য পরিবারের ওপর নিয়মিত  হুমকি আসত। হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারে পাঠানো হতো কাফনের ছবি।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সদস্য সম্মেলন-২০২৫–এ শহীদ ওসমান হাদির বড় ভাই শরিফ ওমর বিন হাদি এ কথা বলেন।

শরিফ ওমর বিন হাদি বলেন, গত ১৬ বছরে দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার ও জীবনের নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন হয়েছে। সামনে নির্বাচন নিয়ে ভয়ভীতির রাজনীতি তৈরি করা হচ্ছে এবং কোন সরকার ক্ষমতায় আসবে, তা জনগণই ঠিক করবে।

তিনি বলেন, শহীদ ওসমান হাদি শাহবাগে রাজপথে দাঁড়িয়ে চোখে চোখ রেখে ‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগান দিতেন। এ কারণে তাদের পরিবারকে নিয়মিত হুমকি দেওয়া হতো। হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জারে কাফনের ছবি পাঠানো হতো। শুরুতে এসব বিষয় পরিবারকে জানালেও পরে ওসমান আর শেয়ার করতেন না, যাতে পরিবারের ভয় না বাড়ে।

শরিফ ওমর বলেছেন, ‘আমি যদি আবার বিচারের দাবিতে রাজপথে নামি, আমাকেও হত্যা করা হবে—এই ভয় আমার মায়ের মধ্যে কাজ করছে। মা ইতোমধ্যে এক সন্তান হারিয়েছেন, আরেকটাকেও হারানোর আশঙ্কায় ভীত।’

তিনি নিজের পারিবারিক ও রাজনৈতিক জীবন তুলে ধরে জানান, ২০১২ সালে বাবার মৃত্যুর পর দুই ভাই একই এলাকায় বসবাস করতেন। জুলাই আন্দোলনের সময় থেকে ব্যক্তিগত ব্যবসা ছেড়ে ওসমানের সঙ্গে আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন তিনি। ওসমান বারবার বলতেন, যদি তিনি শহীদ হন, তবে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে এবং আড়ালে থাকতে হবে।

শরিফ ওমর বলেন, ‘আমি কখনো সামনে আসতে চাইনি। কিন্তু আজ আমার ভাই শহীদ হওয়ায় বিচারের দাবিতে আপনাদের সামনে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছি। সবাইকে ওসমান হাদির আদর্শ দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান করছি।’

হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি জানান, ঘটনার দুই সপ্তাহ আগে থেকেই খুনি পরিকল্পিতভাবে তাদের আশপাশে ঘোরাফেরা করছিল। একাধিকবার হত্যাচেষ্টা ব্যর্থ হলেও শেষ পর্যন্ত শুক্রবার জুমার নামাজের পর ওসমানকে গুলি করা হয়। পরবর্তী শুক্রবার রাতে তিনি সিঙ্গাপুরে শহীদ হন।

তিনি আরও প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘যদি আল্লামা সাঈদ সাক্ষীকে ভারতের কারাগারে পাওয়া যায় এবং ওসমানের খুনি ছয় ঘণ্টার মধ্যে দেশ ছাড়তে পারে, তাহলে এই দেশের সার্বভৌমত্ব কোথায়?’

শরিফ ওমর আরও বলেন, গত ১৬ বছরে মানুষের মৌলিক অধিকার ও জীবনের নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভয়ভীতির রাজনীতি সৃষ্টি হচ্ছে।

Link copied!